কো-চেয়ারম্যান হিসেবে জিএম কাদের এবং মহাসচিব হিসেবে রুহুল আমিন হাওলাদারকে আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব বুঝিয়ে দিয়েছেন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ। তার সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ করার কোনো ক্ষমতা সংসদীয় কমিটির নেই মন্তব্য করে তিনি বলেছেন, জাতীয় পার্টি এরশাদের দল।
জাপা চেয়ারম্যান এরশাদ একক ক্ষমতায় দলে কো-চেয়ারম্যান নিয়োগ আর মহাসচিব পদ রদবদল করার পর তার সহধর্মিনী বেগম রওশন এরশাদকে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারপার্সন ঘোষণা করে এক অংশ। এই অংশটি পরে এরশাদের উপস্থিতিতেই সংসদীয় কমিটির বৈঠতে এরশাদের সিদ্ধান্ত প্রত্যাখ্যান করে। এসব নাটকীয় ঘটনার মধ্যেই দায়িত্ব বুঝে নিয়েছেন কো-চেয়ারম্যান এবং মহাসচিব।
জাতীয় পার্টির কো-চেয়ারম্যান জি এম কাদের বলেন, অনেকেই ওনার নামটি ব্যবহার করছেন, যেহেতু কারও কারও নামের সঙ্গে এরশাদ সাহেবের নাম এবং জাতীয় পার্টির কিছুটা সংযোগ আছে। তাই তা ব্যবহার করে অনেকে অনেক কিছু করতে চাচ্ছেন। কিন্তু তা খুব একটা স্বার্থকতা পাবে না।
জাতীয় পার্টির মহাসচিব রুহুল আমিন হাওলাদার বলেন, যে সুযোগ এসেছে, এই সুযোগ সকলে মিলে কাজে লাগাবো। দলকে শক্তিশালী করবো। আর দল শক্তিশালী হলে আমরাও মর্যাদাবান হবো।
সেসময় এরশাদ দলে তার কর্তৃত্বের অবস্থান বুঝিয়ে দেন। জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মসদ এরশাদ বলেন, বেগম জিয়ার তার সন্তানকে রাজনীতিতে এনেছেন। শেখ হাসিনা জয়কে প্রস্তুত করছেন। আমার তো ছেলে নেই, আমার ভাই আছে।
‘সিদ্ধান্ত আমি নেব। আমার সিদ্ধান্ত প্রতিবাদ করার শক্তি পার্লামেন্টারি কমিটির নাই।’
দলের ভেতরের কোন্দল নিয়ে সরাসরি কিছু না বললেও দলের প্রতি কারো কারো দায়িত্ববোধ নিয়ে প্রশ্ন তোলেন তিনি ।
এরশাদ আরো বলেন, মৃত্যুর পর বঙ্গবন্ধুর যেমন মৃত্যুবার্ষিকী হয়, তেমনি আমারও যেনো মৃত্যুবার্ষিকী হয়।
এরশাদের আশা করছেন, দল নিয়ে যত কিছুই হোক, এককভাবে তিনি যে জাতীয় পার্টি গড়ে তুলেছেন সেই দলের মঙ্গল ছাড়া তার আর কোনো চাওয়া নেই।







