কোনো দাবির মুখে ৩০ ডিসেম্বরের নির্বাচন পেছানো সম্ভব নয় বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচন কমিশন। তবে জাতীয় নির্বাচনের দুই থেকে ১০ দিন আগে নির্বাচনী এলাকায় সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হবে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশন সচিব হেলালুদ্দিন আহমদ।
এবারের নির্বাচন বির্তকিত হলে আন্তর্জাতিকভাবে বাংলাদেশ প্রশ্নবিদ্ধ হবে বলে মন্তব্য করেছেন নির্বাচন কমিশনার মাহবুব তালুকদার।
৩০ ডিসেম্বর জাতীয় নির্বাচন হলে বড়দিন এবং নতুন বছর উদযাপনের কারণে বিদেশী পর্যবেক্ষকরা নির্বাচন পর্যবেক্ষণে আসতে পারবে না এমন প্রশ্ন তুলে বুধবার ইসির কাছে তিন সপ্তাহের জন্য নির্বাচন পেছানোর দাবি জানিয়েছিল জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট।
ইসি এই দাবিকে বিবেচনায় রাখার কথা জানালেও বিষয়টি নাকচ করে দেয়ার জোর আপত্তি জানায় আওয়ামী লীগ। তার একদিন পর বৃহস্পতিবার হঠাৎ করেই বিকেল ৪টার দিকে গণমাধ্যমে ইসির সচিব আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিয়ে জানান নির্বাচন পেছানো সম্ভব নয়।
এর আগে সকালে ৩০ ডিসেম্বরের নির্বাচনে নির্বাচনী কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণের তৃতীয় দিন চট্টগ্রাম, সিলেট এবং বরিশাল বিভাগের সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তাদের নিয়ে সকাল ১০টায় বৈঠক করে নির্বাচন কমিশন। সেখানে সেনাবাহিনী মোতায়েনের বিষয়ে কথা বলেন সচিব।
পরে নির্বাচন কমিশনার মাহবুব তালুকদার মনোনয়ন দেয়ার ক্ষেত্রে তৃণমূলের মতামত উপেক্ষিত হয়েছে মন্তব্য করে কর্মকর্তাদের আইনের মধ্যে থেকে সর্বোচ্চ দায়িত্ব পালনের নির্দেশনা দেন।
জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের শরীক জোট হিসেবে গণফোরাম, কৃষক শ্রমিক জনতা লীগসহ জেএসডি বিএনপির ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করবে বলে ইসিতে চিঠি দিয়েছে। তবে শেষ দিনেও যুক্তফ্রন্ট তাদের শরীক জোটের তালিকা না দিয়ে ১০ দিনের জন্য সময় বাড়ানোর আবেদন জানিয়েছে।
বিস্তারিত সোমা ইসলামের ভিডিও রিপোর্টে:







