কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনকারীদের উপর পুলিশের লাঠিচার্জ ও টিয়ারশেল হামলায় আহত এক শিক্ষার্থীর অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে। তিনি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
এছাড়াও পুলিশের রাবার বুলেটে চোখে আঘাত পাওয়া এক শিক্ষার্থীকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ডিএমসি) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এছাড়াও সেখানে চিকিৎসা নিচ্ছে আহত আরও ৫ জন।
দুপুর থেকে শাহবাগে অবস্থানরত চাকরিপ্রার্থী এবং বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের উপর রাত ৮টার দিকে লাঠিচার্জ ও টিয়ারশেল ছুঁড়ে ছত্রভঙ্গ করে দেয় পুলিশ।
আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা এখন ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্র (টিএসসি) ও কবি নজরুলের মাজারের সামনে অবস্থান করছে। আন্দোলনরতদের লক্ষ্য করে এখনও পুলিশকে টিয়ারশেল ছুঁড়তে দেখা যাচ্ছে।
এর আগে, রাত ৮টার দিকে শুরু হওয়া পুলিশের লাঠিচার্জ ও টিয়ারশেলের কারনে আন্দোলনকারীরা ছত্রভঙ্গ হয়ে যায়। এসময় পুলিশের সঙ্গে তাদের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া চলতে থাকে।
আন্দোলনকারী শাহবাগ থানার সামনে, চারুকলার সামনে, পাবলিক লাইব্রেরির পেছনে, নজরুলের মাজারের সামনে আগুন জ্বালিয়ে বিক্ষোভ করে ও লাঠিসোটা নিয়ে অবস্থান নেয়।
পুলিশ টিয়ারশেল ও জলকামান ছুড়তে ছুড়তে তাদের টিএসসির দিকে ধাওয়া দেয়। তাদের পেছন পেছন পুলিশও টিএসসির দিকে অগ্রসর হতে থাকে।এক পর্যায়ে পুলিশ নজরুলের মাজারের দিকে অগ্রসর হয়। এসময় পুরো এলাকা ধোয়ায় অন্ধাকারাচ্ছন্ন হয়ে যায়।
এর আগে দুপুরের পর থেকেই সরকারি চাকরিতে বিদ্যমান কোটা ব্যবস্থা সংস্কারে চাকরিপ্রার্থী এবং বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা রাজধানীর শাহবাগে অবস্থান নেয়। এতে কার্যত অচল হয়ে যায় শাহবাগ এবং আশেপাশের এলাকা। সড়কের ওপর আড়াআড়ি বাস রেখে ব্যারিকেড দেয় আন্দোলনকারীরা।








