কোটা সংস্কার আন্দোলনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পরাজয় হয়েছে দাবি করে বিএনপি বলছে, কোটা সংস্কার আন্দোলন শিক্ষার্থীদের যৌক্তিক দাবি। ৫৬ ভাগ কোটা আর মেধাবীদের জন্য ৪৪ ভাগ; এটা অন্যায়। তার জন্য যৌক্তিক আন্দোলন করেছে ছাত্ররা। আর এই আন্দোলনে তারেক রহমানের ফোনে সমর্থন পুরোপুরি রাজনৈতিক বলেও দাবি করেছে বিএনপি নেতারা।
বিএনপি নেতারা বলছে, বিএনপি আগেও ছাত্রছাত্রীদের আন্দোলনে সমর্থন দিয়েছে। তারেক রহমান বিএনপির বর্তমান ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হিসেবে এই আন্দোলনকারীদের সমর্থন জানিয়ে ফোন করতেই পারেন। তিনি সহানুভূতি জানাতেই পারেন, এটি অন্যায় কিছু নয়।

বৃহস্পতিবার দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবে ‘খালেদা জিয়ার নি:শর্ত মুক্তি ও গণতন্ত্র উত্তরণে সুষ্ঠু নির্বাচন অপরিহার্য’ শীর্ষক আলোচনা সভায় স্থায়ী কনিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন, বিএনপির ভিশন ২০৩০’তে কোটা সম্পর্কে সুস্পষ্ট বক্তব্য রয়েছে। প্রতিবন্ধী, ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী এবং মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য কোটা রেখে সংস্কারের কথা উল্লেখ রয়েছে। আমরা সংস্কারের পক্ষে ছিলাম। সরকার যে বাতিল করে দিয়েছে তা তাদের পরাজয়।
কোটা সংস্কার আমাদের যে নীতিগত অবস্থান তার সমর্থনেই এই আন্দোলন হয়েছে দাবি করে তিনি বলেন, কোটা সংস্কার আন্দোলনের মতোই আগামীতে নির্দলীয়, নিরপেক্ষ নির্বাচন এবং খালেদা জিয়ার মুক্তি আন্দোলনে জনগণ রাস্তায় নেমে আসবে বলে।

নয়াপল্টনে সংবাদ সম্মেলনে দলটির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীও বলেছেন, তারেক রহমান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও জাসাস সভাপতি ড. মামুনের সঙ্গে ফোনালাপ করে শিক্ষার্থীদের নৈতিক দাবির সাথে একাত্মতা প্রকাশ করেছেন। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হিসেবে তিনি তা করতে পারেন।
রিজভী অবশ্য কোটা প্রথা বাতিলকে সরকারের অন্য ফাঁদ হিসেবে দেখছেন। তিনি বলেন, শিক্ষার্থীরা সংস্কার চেয়েছে। তারা বাতিল চায়নি।







