দুদিন আগে ইংল্যান্ড দলের স্টাফ ও তাদের পরিবারসহ ৪ জনের করোনা ধরা পড়ে। অস্ট্রেলিয়া সরকারের কড়াকড়ি কোভিড প্রটোকলের কারণে অ্যাশেজের বাকি দুম্যাচ ঘিরে তাতে জাগে ঘোর অনিশ্চয়তা। সিডনিতে সিরিজের পরের টেস্টের আগে কেটে গেল সেসব শঙ্কাই। রাজ্য স্বাস্থ্যমন্ত্রী ব্র্যাড হ্যাজার্ড জানিয়েছেন, নির্ধারিত সময়েই হবে ম্যাচ।
সাউথ ওয়েলস রাজ্যের স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেছেন, ‘সিডনি ক্রিকেট গ্রাউন্ড একদম নিরাপদ। আমরা ক্রিকেটপ্রেমীদের জন্য সুন্দর একটি খেলা নিশ্চিত করতে চাই। এজন্য আমাদের নিয়মাবলী মানতে হবে। কোভিডের লক্ষণ দেখা গেলেই টেস্ট করাতে হবে। নেগেটিভ না আসা পর্যন্ত আইসোলেশনে থাকতে হবে।’
বক্সিং-ডে টেস্টের দ্বিতীয় দিনের খেলা শুরু হওয়ার ঠিক আগে দুজন স্টাফ ও তাদের পরিবারের দুই সদস্যের করোনা পজিটিভ হওয়ার খবর মেলে। পরে সব খেলোয়াড়ের করোনা টেস্ট করানো হয়। নেগেটিভ আসলে খেলা মাঠে গড়া।
পরে ইংল্যান্ড-অস্ট্রেলিয়ার সব ক্রিকেটারের ফের পিসিআর টেস্ট করে নেগেটিভই আসে। তাতেও নিশ্চিত ছিল না সিরিজের ভবিষ্যৎ। নিউ সাউথ ওয়েলসের কোভিড প্রটোকল অনুযায়ী, কোভিড-১৯ আক্রান্ত কারও সংস্পর্শে থাকা যেকাউকে ৭ দিনের বাধ্যতামূলক আইসোলেশনে থাকতে হবে।
সিডনি টেস্ট মাঠে গড়াবে ৫ জানুয়ারি। ক্রিকেটারদের জন্য ৭ দিনের কোভিড প্রটোকল বাধ্যতামূলক করলে নির্ধারিত সময়ে মাঠে গড়ানোর সুযোগ ছিল ম্যাচটির। ব্র্যাডের কথার পর স্বস্তি ফিরেছে প্রতিদ্বন্দ্বী দুই দলে।
তিন ম্যাচ জিতে ইতিমধ্যে অ্যাশেজ পকেটে পুরেছে অস্ট্রেলিয়া। অন্যদিকে ২০২১ সালে ৯টি টেস্ট হেরে এক বছরের সর্বাধিক পরাজয়ের রেকর্ডে বাংলাদেশের পাশে বসেছে ইংল্যান্ড।








