বাংলাদেশের নারী ফুটবল মানে স্বপ্নের পাখা ডানা মেলা। থাইল্যান্ডের এএফসি অনূর্ধ্ব-১৬ নারী চ্যাম্পিয়নশিপে স্বপ্নের সেই ডানায় ভর করে আকাশ ছোঁয়ার স্বপ্ন দেখছে বাংলাদেশ। এখানে সেরা তিনের মধ্যে থাকতে পারলেই অনূর্ধ্ব-১৭ বিশ্বকাপের দরজা খুলে যাবে!
চ্যাম্পিয়নশিপে অনেকেই বাংলাদেশের ভালো সম্ভাবনা দেখছেন। এর কারণ বাছাইপর্বে আগুনে সাফল্য।
বাংলাদেশ বাছাইপর্বের ‘সি’ গ্রুপ থেকে অপরাজিত চ্যাম্পিয়ন হয়ে মূল পর্বে ওঠে। ইরানকে ৩-০ গোলে, সিঙ্গাপুরকে ৫-০, কিরগিজস্তানকে ১০-০, চীনা তাইপেকে ৪-২ এবং আরব আমিরাতের মতো শক্তিশালী দলকে ৪-০ গোলে হারিয়েছিল কৃষ্ণারা।
মূল পর্বে অবশ্য অপেক্ষা করছে কঠিন চ্যালেঞ্জ। প্রতিপক্ষ টুর্নামেন্টের বর্তমান চ্যাম্পিয়ন নর্থ কোরিয়া। রয়েছে চীন, জাপান, অস্ট্রেলিয়ার মতো শক্তিশালী দলও। কোচ গোলাম রাব্বানী ছোটন স্বপ্ন পূরণের নকশা আঁকছেন, ‘আমার বিশ্বাস আমরা ভালো করবো। যারা কয়েক বছর আগে ফুটবলের মৌলিক জ্ঞানে শূন্য ছিল, তারা এখন আধুনিক ফুটবল খেলছে। কিছুদিন আগে জাপানে আমরা ভালো করেছি। সিঙ্গাপুরেও প্রস্তুতি ম্যাচ খেলেছি। আশা করি স্বপ্ন পূরণ হবে।’
থাইল্যান্ডের পথে রওনা দেওয়ার আগের দিন ফুটবল ফেডারেশনের সংবাদ সম্মেলনে কোচ আবার বাস্তবতার কথাও তুলে ধরেন, ‘উত্তর কোরিয়ার মেয়েরা বয়সভিত্তিক প্রতিযোগিতাগুলোর চ্যাম্পিয়ন। জাপানের জাতীয় মহিলা দল হচ্ছে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন। অস্ট্রেলিয়ার র্যাঙ্কিং ষষ্ঠ। তাদের সঙ্গে আমরা প্রথম খেলতে যাচ্ছি। তাদের সঙ্গে আমাদের বাস্তবতা বুঝতে হবে।
‘তবে আমরা সর্বোচ্চটুকু দিয়ে, নিজেদের উজাড় করে দিয়ে খেলব এবং তাদের বুঝিয়ে দেব, বাংলাদেশের ফুটবল কতদূর এগিয়েছে।’
টুর্নামেন্টের প্রথম দিনে আগামীকাল হবে দুটি ম্যাচ। প্রথম ম্যাচে চীনের প্রতিপক্ষ দক্ষিণ কোরিয়া, পরের ম্যাচটিতে স্বাগতিক থাইল্যান্ড মুখোমুখি হবে লাওসের। বাংলাদেশের এএফসি অভিযান অবশ্য আগামী সোমবার শুরু হবে। প্রথম ম্যাচেই প্রতিপক্ষ বর্তমান চ্যাম্পিয়ন উত্তর কোরিয়া।







