সেচের বিদ্যুৎ নিয়ে মহা সমস্যায় আছেন সন্দ্বীপের ধান চাষীরা। আর গবাদি পশুর জন্য সরকারের দেওয়া বিনামূল্যের ওষুধ পেতেও অর্থ খরচ করতে হয় পশু মালিকদের। কৃষকদের এমন নানা সমস্যা আর সুপারিশের কথা উঠে আসে সন্দ্বীপে আয়োজিত চ্যানেল আইয়ের প্রামান্য অনুষ্ঠান হৃদয়ে মাটি ও মানুষের প্রাকবাজেট আলোচনা ‘কৃষি বাজেট কৃষকের বাজেট’ এ ।
চট্টগ্রাম থেকে সন্দীপে যেতে হয় সমুদ্র পথে। এই জনপদের বাসিন্দাদের ভরসা স্টীমার ও স্থানীয় স্পিড বোট। হৃদয়ে মাটি ও মানুষের আয়োজনে মোস্তাফিজুর রহমান কলেজ মাঠে প্রাক বাজট আলোচনা কৃষি বাজেট কৃষকের বাজেট।
এ নিয়ে ৪৫টি স্থানে গত ১২ বছরে প্রায় তিন লাখ কৃষকের মধ্যে বাজেটের ধারণা পৌঁছে দিয়েছে এই কার্যক্রম।
গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব শাইখ সিরাজ স্থানীয় কৃষকদের বাজেট বিষয়ে নানা প্রশ্ন করেন। নীতি নির্ধারকদের একজনকে পেয়ে তৃণমূল পর্যায়ের কৃষকরা মন খুলে কথা বলেন।
শাইখ সিরাজ বলেন, সরকার বাজেট প্রনয়ণের সময় যদি মনে করেন এখান থেকে কিছু পরামর্শ গ্রহণ করে থাকেন। এটিই আমাদের স্বার্থকতা।
উঠে আসে নানা সমস্যার কথা। কৃষকরা বলেন, বিএডিসির বীজও আমরা পাই না। আমাদের হাইব্রিড বীজও দেওয়া হয় না। আমাদের কাগজপত্র না থাকায় ঋণও দেওয়া হয় না। সন্দ্বীপে মহাজন প্রথা এখনো রয়ে গেছে।
জনগণের সব সমস্যার কথাই সত্য বলে জানান গৃহায়ণ ও গণপূর্তমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন।
মন্ত্রী বলেন, পর্যায়ক্রমে কৃষকদের সব সমস্যার সমাধান করবে সরকার। মন্ত্রী বলেন, এই অভিযোগ যেন সামনে আর না থাকে সে ব্যাপারে আমরা সজাগ থাকবো।
জাতীয় বাজেটে কৃষির সবগুলো খাতে আরো বেশি বরাদ্দের সুপারিশ করেন কৃষকরা।







