বাংলাদেশে কৃষি উৎপাদন বাড়াতে কাজ করছে ‘ইন্টারন্যাশনাল ফার্টিলাইজার
ডেভেলপমেন্ট সেন্টার’- আইএফডিসি। সংস্থাটির সহযোগিতায় গুটি ইউরিয়ার ব্যবহার
জনপ্রিয় করতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে সংস্থাটির।
শুরু থেকেই আইএফডিসি’র এই উদ্যোগের সহযোগী ছিলো চ্যানেল আই। হৃদয়ে মাটি ও
মানুষের বিভিন্ন পর্বে গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব শাইখ সিরাজ কৃষক পর্যায়ে নতুন
প্রযুক্তি বিস্তারের অংশ হিসেবে তুলে ধরেছেন গুটি ইউরিয়া সারের উপযোগিতা।
বাংলাদেশ সফরে এসে কৃষির সম্ভাবনা ও সংকট জানতে আইএফডিসির প্রধান নির্বাহী ড. জে. স্কট অ্যাঙ্গেল বৈঠক করেন শাইখ সিরাজের সঙ্গে।
বৈঠকে শাইখ সিরাজ জানান, মাটির গুণ ধরে রাখা, কৃষি থেকে ধীরে ধীরে কৃষকের বিদায়, অপুষ্টি বাংলাদেশের
কৃষির জন্য সামনের দিনে বড় চ্যালেঞ্জ।
তিনি বলেন, ‘আমরা সবাই কৃষি উৎপাদন, আরো বেশি উৎপাদন এবং মাটির স্বাস্থ্য – এ বিষয়ে কথা বলছি। কিন্তু কৃষকের স্বাস্থ্য নিয়ে মোটেই কথা বলছি না। বাংলাদেশের মতো একটা দেশে, যেখানে এখনো কৃষিতে আন্তর্জাতিক মানের যান্ত্রিকীকরণ হয়নি, সেখানে কৃষকের স্বাস্থ্য অনেক বেশি গুরুত্ব পাওয়া উচিৎ।’
শাইখ সিরাজের মতে, জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে কৃষিতে যে চ্যালেঞ্জ দেখা দিয়েছে, তা মোকাবেলা করার মতো বীজ এবং প্রযুক্তি মাঠের কৃষকের কাছে পৌঁছে দেয়া, কৃষি জমির মালিকানা এবং কৃষিকাজ কৃষকের হাতছাড়া হয়ে যাওয়া, এগুলো নিয়ে কাজ করা খুবই জরুরি।
আইএফডিসি’র প্রধান নির্বাহী ড. জে. স্কট অ্যাঙ্গেল বলেছেন, কৃষিতে বাংলাদেশের সাফল্যের গল্প উন্নয়নশীল দেশগুলোতে ছড়িয়ে দিতে চায় সংস্থাটি। বাংলাদেশের উন্নতি ঈর্ষণীয়, তবে সামনের দিনে চ্যালেঞ্জ হবে জলবায়ু পরিবর্তনের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করা।
ড. এ্যাঞ্জেল বলেন, ‘শাইখ সিরাজের মতো এমন উন্নয়নকর্মী অনেক দেশেই নেই। বিশেষ করে কৃষিতে তার মতো কর্মী খোদ আমেরিকাতেও নেই। বাংলাদেশ যে এতো দ্রুত উন্নতি করছে, তার একটা বড় কারণ, আপনারা কৃষি উন্নয়নে অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন। আইএফডিসি চায়, আধুনিকতম প্রযুক্তি মাঠ পর্যায়ে নিয়ে যেতে গণমাধ্যমের ব্যাপক অংশগ্রহণ। আমরা চ্যানেল আইয়ের সহযোগিতা চাইবো।’
‘কৃষি উৎপাদনে আপনাদের সাফল্য গৌরবের। কিন্তু নিত্যনতুন চ্যালেঞ্জ মোকাবেলার কথা ভুলে গেলে চলবে না,’ বলেন আইএফডিসির প্রধান নির্বাহী।
বৈরী প্রকৃতিকে মোকাবেলা করে কৃষিতে সাফল্য ধরে রাখতে বিশ্বব্যাপী যে সব প্রযুক্তি আসছে তা মাঠের কৃষকের কাছে নিয়ে যেতে চ্যানেল আইয়ের সঙ্গে অতীতের মতো অংশীদারিত্ব চালিয়ে যাওয়ার কথাও বলেন ড. অ্যাঙ্গেল।







