মাঝারি পুঁজি নিয়ে দুর্দান্ত বোলিং করলেন ফরচুন বরিশালের দুই তরুণ পেসার শফিকুল ইসলাম ও মেহেদী হাসান রানা। তারাই ম্যাচে ফেরালেন সাকিব আল হাসানের দলকে।
শেষ ওভারে মুজিব উর রহমান অল্পতেই আটকে রাখলেন সুনিল নারাইনকে। রোমাঞ্চকর লড়াই শেষে প্রথম কোয়ালিফায়ারে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্সকে ১০ রানে হারিয়ে বঙ্গবন্ধু বিপিএলের ফাইনালে উঠেছে বরিশাল। কুমিল্লার ফাইনাল খেলার আশা শেষ হয়ে যায়নি। বুধবার অলিখিত সেমিফাইনালে (দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ার) তাদের প্রতিপক্ষ চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্স।
সোমবার মিরপুরে রাতের ম্যাচে ১৪৪ রানের জয়ের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে ২০ ওভারে ৭ উইকেট হারিয়ে ১৩৩ রান তোলে কুমিল্লা। মুজিবের শেষ ওভারে দরকার পড়ে ১৮ রান। দুই উইকেট নিয়ে ৭ রান খরচ করেন আফগান স্পিনার।
ওভারের তৃতীয় বলে নারাইন ছক্কা মেরে কিছুটা আশা জাগিয়েছিলেন জয়ের। কিন্তু মুজিবের ঘূর্ণিতে জাদুতে সমীকরণ মেলাতে পারেনি দুইবারে বিপিএল চ্যাম্পিয়ন কুমিল্লা।
দলটির ওপেনার লিটন দাস সর্বোচ্চ ৩৮ রান করেন। এছাড়া মইন আলি ২২, ফাফ ডু প্লেসিস ২১, মাহমুদুল হাসান জয় ২০ ও নারাইন করেন ১৭ রান।
দুটি করে উইকেট নিয়েছেন শফিকুল, রানা ও মুজিব। একটি উইকেট নেন ডোয়াইন ব্রাভো।
মুনিম শাহরিয়ারের ঝড়ো ব্যাটিংয়ে দুর্দান্ত শুরু পেয়েও শেষটা ঠিকঠাক করতে পারেনি বরিশাল। টস হেরে শুরুতে ব্যাটিংয়ে নেমে ৮ উইকেটে ১৪৩ রান করেছে সাকিবের বরিশাল। সর্বোচ্চ ৪৪ রান করেন মুনিম শাহরিয়ার।
টস জিতে শুরুতে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন কুমিল্লার অধিনায়ক ইমরুল কায়েস। পাওয়ার প্লেতে কোনো উইকেট না পাওয়া কুমিল্লাকে প্রথম উইকেট এনে দেন শহিদুল ইসলাম। ৩০ বলে ৪৪ রান করে মুনিম আউট হন তানভীর ইসলামের বলে৷ একই ওভারে রান আউট হয়ে সাজঘরে ফেরেন সাকিব।
এরপর শুরু হয় আসা যাওয়ার মিছিল। ব্যক্তিগত ১৩ রানে নাজমুল হোসেন শান্তকে ফেরান মইন আলী। ১০ রান করা জিয়াউর রহমানকে আউট করে সুনীল নারাইন। ১৪৩ রানে থামে বরিশালের ইনিংস।
কুমিল্লার হয়ে সর্বোচ্চ ৩ উইকেট নিয়েছেন শহিদুল ইসলাম। ২৩ রান দিয়ে ২ উইকেট পেয়েছেন ইংলিশ অলরাউন্ডার মইন আলী। ১টি করে উইকেট পেয়েছেন নারাইন ও তানভীর।








