সিলেট থেকে: ৯, ১১, ১৫, ০, ০, ১, ৩৩, ০। সবশেষ চার টেস্টে মুমিনুল হকের ব্যাটে আসা রানের ধারাক্রম। এই আট ইনিংসের আগে জোড়া সেঞ্চুরি করেছিলেন এ বাঁহাতি ব্যাটসম্যান। তারপরই এমন ছন্দপতন, অবাকই হতে হয়!
বছরের শুরুর সেই ফর্ম হারিয়ে ক্যারিয়ারের সবচেয়ে কঠিন সময় পার করছেন মুমিনুল। গত ফেব্রুয়ারিতে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে চট্টগ্রাম টেস্টে ১৭৬ ও ১০৫ রান করা মুমিনুলের শেষ আট ইনিংসের যোগফল মাত্র ৬৯। সিলেট টেস্টে তার ব্যাট থেকে এসেছে ১১ ও ৯ করে।
৩০ টেস্ট খেলা মুমিনুল ক্যারিয়ারে শূন্যরানে আউট হয়েছেন ছয়বার। যার তিনটিই সবশেষ আট ইনিংসের মধ্যে।
মুমিনুলের মতোই খারাপ সময় যাচ্ছে মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের। ১৬, ০, ৪, ০, ১৫,০, ৬, ১৭। শেষ আট ইনিংসে তার রান মাত্র ৫৮। সাকিবের ইনজুরিতে অধিনায়কত্ব পাওয়ার আগে কখনই এত খারাপ সময় আসেনি। জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে প্রথম ইনিংসে শূন্য রানে ফেরার পর দ্বিতীয় ইনিংসে ১৬ করে উইকেট বিলিয়ে আসেন অযথা সুইপ খেলতে গিয়ে।
অধিনায়কত্বের চাপেই কী মনঃসংযোগ হারাচ্ছেন বারবার? জিম্বাবুয়ের কাছে সিরিজের প্রথম টেস্ট ১৫১ রানে হারের পর অধিনায়কের দিকে ছুটে গেল এমন প্রশ্ন। জবাবে মাহমুদউল্লাহ বলেন, ‘ওরকম কিছু না। রান করতে পারছি না, এটাই। ক্যাপ্টেন্সি ইস্যু নিয়ে কোনো সমস্যা নেই।’
‘আশা করি ঢাকায় আমরা ভালভাবে ঘুরে দাঁড়াবো এবং এটার জন্য আমার মনে হয় একটা ইনিংসই যথেষ্ট। এটুকু বলতে পারি পরের টেস্টে অন্য বাংলাদেশকে দেখা যাবে।’
নিজের সঙ্গে মুমিনুলকেই কেবল নয়, মাহমুদউল্লাহর এই আমরা নিশ্চয় পুরো দলই; অন্য বাংলাদেশকে দেখতে হলে যে ঘুরে দাঁড়াতে হবে পুরো দলকেই।







