তিন গোলে এগিয়ে থেকেও আগের রাউন্ডে রোমার মাঠে এসে বিদায় নিয়েছে বার্সেলোনা। লিভারপুলকে সে পথে হাঁটতে হল না। ইতালিয়ান দলটির বিপক্ষে ৪-২ গোলে হেরেও ২০০৮ সালের পর প্রথমবার চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ফাইনালে পৌঁছে গেছে ইংলিশ জায়ান্টরা।
সেমিফাইনালের দুই লেগ মিলিয়ে ৭-৬ গোলের অগ্রগামিতায় ফাইনালের টিকিট কেটেছে ইয়ুর্গেন ক্লপের শিষ্যরা। ঘরের মাঠে ৫-২ গোলে জিতে এগিয়ে ছিল ইংলিশ দলটি। ২৬ মে কিয়েভের ফাইনালে অলরেডদের প্রতিপক্ষ আগের রাতেই বায়ার্নকে বিদায় করে দেয়া রিয়াল মাদ্রিদ।
বুধবার রাতে রোমার মাঠে বার্সেলোনার মত ভুল করেনি লিভারপুল। ম্যাচ শুরুর ৯ মিনিটের মাথায় ফিরমিনোর পাসে নিজেদের প্রথম সুযোগেই অলরেডদের এগিয়ে দিয়ে কাজটা সেরে রাখেন ফরোয়ার্ড সাদিও মানে।
পিছিয়ে পড়ার ছয় মিনিটের মাথায় ভাগ্যছোঁয়ায় সমতায় ফেরে রোমা। ১৫ মিনিটে নিজেদের ডি-বক্সে বল বিপদমুক্ত করতে গিয়ে ডেজান লোভরেনের শট জেমস মিলনারের মাথায় লেগে জালে জড়ালে ম্যাচে ফেরে স্বাগতিকরা।
ম্যাচের ২৫ মিনিটে সাদিও মানের দারুণ একটি শট কর্নারের বিনিময়ে রক্ষা করেন রোমা গোলরক্ষক অ্যালিসন। সেই কর্নার থেকে ভার্জিল ফন জিকের নেয়া শটে মাথা ছুঁয়ে লিভারপুলকে দ্বিতীয়বারের মত এগিয়ে দেন জর্জিনো উইনালডাম।
বিরতি থেকে ফিরেই আবারও সমতায় ফেরে রোমা। ম্যাচের ৫২ মিনিটে এল শারাউয়ির পাসে ভলি করে জাল খুঁজে নেন এডেন জেকো।
সমতায় থাকা ম্যাচে এরপর লড়াইটা হয়েছে হাড্ডাহাড্ডি। একে অপরের রক্ষণে একাধিকবার হানা দিয়ে দুবার সাফল্য দেখেছে রোমা। ৮৬ মিনিটে ও ম্যাচের অতিরিক্ত সময়ে রাদজা নাইনগোলানের জোড়া গোল স্বাগতিকদের আশা জাগালেও শেষপর্যন্ত ১০ বছর পর ফাইনালে ওঠার হাসি নিয়েই মাঠ ছাড়ে লিভারপুল।








