সাবেক অর্থমন্ত্রী শাহ এ. এম. এস. কিবরিয়া হত্যা মামলায় আরও ২ জনের সাক্ষ্য নেওয়া হয়েছে। এর আগে বুধবার সিলেট বিভাগীয় দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. মকবুল হোসেন ২ সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ করেন। এ নিয়ে ওই মামলায় ২ দফায় ৬ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ শেষ হলো। বৃহস্পতিবার মামলায় সাক্ষ্য দেন আব্দুর রউফ ও ইরফান আলী।
এর আগে পর্যাপ্ত আসামী উপস্থিত না থাকায় ৩ দফা এই মামলার সাক্ষ্য গ্রহণ পেছানো হয়। বৃহস্পতিবার সাবেক সিলেট সিটি মেয়র আরিফুল হক ছাড়া কারান্তরীণ ও জামিনে থাকা সব আসামী আদালতে উপস্থিত ছিলেন।
১১ ও ১২ নভেম্বর সাক্ষ্য গ্রহণের পরবর্তী তারিখ নির্ধারণ হয়েছে বলে জানান ট্রাইব্যুনালের পিপি কিশোর কুমার কর।
সিলেটটুডে২৪ ডট কম জানায়, গত ৩০ সেপ্টেম্বর মামলার বাদী হবিগঞ্জ-২ আসনের সংসদ ও হবিগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবদুল মজিদ খানের সাক্ষ্য নেওয়ার মধ্য দিয়ে সাক্ষ্য গ্রহণ শুরু হয়। ওই মামলায় ১শ’ ৭১ জনের সাক্ষ্যগ্রহণের কথা রয়েছে বলে জানিয়েছেন কিশোর কুমার কর।
গত ১৩ সেপ্টেম্বর সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর, সাবেক প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সচিব হারিছ চৌধুরী, সিলেটের বরখাস্ত মেয়র আরিফুল হক চৌধুরীসহ ৩২ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়।
২০০৫ সালের ২৭ জানুয়ারি হবিগঞ্জের বৈদ্যের বাজারে জনসভায় গ্রেনেড হামলায় আওয়ামী লীগ নেতা শাহ এএমএস কিবরিয়াসহ পাঁচজন নিহত হন। ১৯৯৬-২০০১ মেয়াদে আওয়ামী লীগ সরকারের সময় অর্থমন্ত্রী ছিলেন কিবরিয়া।
হবিগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবদুল মজিদ খান ওই রাতেই হত্যা ও বিস্ফোরক আইনে দু’টি মামলা দায়ের করেন।
তিন দফা তদন্তের পর মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সিআইডি’র সিলেট অঞ্চলের সহকারী পুলিশ সুপার মেহেরুন নেছা পারুল ২০১৪ সালের ২১ ডিসেম্বর আরিফুল, গউছ ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক সচিব হারিছ চৌধুরীসহ ১১ জনের নাম যোগ করে মোট ৩২ জনের বিরুদ্ধে সম্পূরক অভিযোগপত্র দেন।
হবিগঞ্জের জেলা ও দায়রা জজ মো. আতাবুল্লাহ মামলাটি বিচারের জন্য গত ১১ জুন সিলেট দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে পাঠিয়ে দেন।







