সাবেক অর্থমন্ত্রী শাহ এএমএস কিবরিয়া হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় দায়েরকৃত বিস্ফোরক মামলার অভিযোগপত্র আমলে নিয়েছেন সিলেটের বিশেষ ট্রাইব্যুনাল-১।
মঙ্গলবার দুপুরে জেলা ও দায়রা জজ আতাবুলাহ ৩২ জনের বিরুদ্ধে দাখিলকৃত অভিযোগপত্র আমলে নিয়ে পলাতক আসামীদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন। একই সঙ্গে আগামী ২৯ ফেব্রুয়ারি এ মামলার পরবর্তী তারিখ নির্ধারণ করেন।
এ দিন সকালে আদালত হাজির করা হয় হুজি নেতা মুফতি হান্নানসহ ১১ আসামীকে। তবে সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর, সিলেটের মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী, হবিগঞ্জের মেয়র আলহাজ্ব জিকে গউছকে হাজির করা হয়নি।
এছাড়াও জামিনে থাকা ৮ আসামীও আদালতে হাজিরা দেন। এ মামলায় ১০ আসামী পলাতক রয়েছেন।
একই ঘটনায় দায়েরকৃত হত্যা মামলাটি বর্তমানে সিলেটের দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে সাক্ষ্য গ্রহণ পর্যায়ে রয়েছে। বিস্ফোরক মামলাটি বিচারের জন্য হবিগঞ্জের দায়রা জজ আদালতে ১৩ নভেম্বর পাঠানো হয়।
সিলেটটুডে২৪ জানায়, গত ১২ মে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সিআইডি’র অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মেহেরুন্নেছা পারুল কিবরিয়া হত্যকাণ্ডের ঘটনায় দায়েরকৃত মামলায় কারাগারে থাকা আসামীদেরকে বিস্ফোরক মামলাতেও শ্যোন এ্যারেস্ট দেখানোর জন্য আবেদন করেন।
এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১ জুন সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর, আরিফুল হক চৌধুরী ও আলহাজ্ব জি কে গউছসহ কারাগারে থাকা সব আসামীকে শ্যোন এ্যারেস্ট দেখানোর আদেশ দেন।
এ মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সম্পূরক চার্জশীট তৈরি করে গত ১০ আগস্ট সবার অগোচরে তা দাখিল করেন।
২০০৫ সালের ২৭ জানুয়ারি হবিগঞ্জ সদর উপজেলার বৈদ্যের বাজারে স্থানীয় আওয়ামী লীগ আয়োজিত জনসভা শেষে ফেরার পথে দুর্বৃত্তদের গ্রেনেড হামলায় নিহত হন সাবেক অর্থমন্ত্রী শাহ এএমএস কিবরিয়া, তার ভাতিজা শাহ মঞ্জুর হুদাসহ ৫ জন।
এতে আহত হন বর্তমান জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি অ্যাডভোকেট মোঃ আবু জাহির এমপিসহ ৪৩ জন। এ ঘটনায় আওয়ামী লীগ নেতা অ্যাডভোকেট মোঃ আব্দুল মজিদ খান বাদি হয়ে সদর থানায় হত্যা এবং বিস্ফোরক আইনে পৃথক দু’টি মামলা দায়ের করেন।







