হায়দরাবাদ টেস্টে ভারতীয় ব্যাটসম্যান ঋদ্ধিমান সাহার সহজ স্টাম্পিংয়ের সুযোগ হাতছাড়ার করার পর থেকেই আলোচনায় মুশফিকুর রহিমের উইকেটকিপিং। ওই টেস্টের প্রথম সেশনে কামরুল ইসলাম রাব্বির বলে মুরালি বিজয়ের একটি ক্যাচ আয়ত্ত্বের মধ্যে থাকার পরও ধরার চেষ্টা করেননি মুশফিক। এরপর থেকেই কাঠগড়ায় তার কিপিং। শ্রীলঙ্কা সিরিজে অধিনায়কে কিপিংগ্লাভস কেড়ে নেয়া হতে পারে এমন গুঞ্জন যখন চাউর ক্রিকেটপাড়ায়, তখন মুশফিককে অভয় দিলেন বিসিবির ক্রিকেট পরিচালনা বিভাগের প্রধান আকরাম খান।
সোমবার বিসিবি কার্যালয়ে আকরাম বলেন, ‘মুশফিক যদি মনে করে সে ক্লান্ত হচ্ছে, ব্যাটিং-কিপিং ও ক্যাপ্টেন্সি তিন দিক সামলাতে যেয়ে মনোযোগে বিঘ্ন ঘটছে; তখন সেটা নিয়ে আমরা ভাবতে পারি। সে কী ভাবছে সেটা না জেনে আমাদের কিছু বলা উচিত হবে না। হায়দরাবাদ টেস্টে মাঠে বেশিরভাগ সময় কিন্তু মুশফিকই ছিল। ১৬০ ওভার কিপিং করলো। তারপর সেঞ্চুরি করলো। আবার সে-ই কিপিং করলো। গুরুত্বপূর্ণ হলো কিপিং নিয়ে ওর পরিকল্পনা কী। ওর উপর আমাদের তো আস্থা আছেই, তবে ওর মতামতটাও আমাদের খুব দরকার। ও যেটা চায় সেটাই আমরা শতভাগ বাস্তবায়নের চেষ্টা করবো।’
ছুটি কাটিয়ে প্রধান কোচ চণ্ডিকা হাথুরুসিংহে অস্ট্রেলিয়া থেকে ফেরার পরই টিম ম্যানেজম্যান্ট মুশফিকের সঙ্গে আলোচনায় বসবেন। জানা গেছে, মুশফিকের কিপিং নিয়ে অনেক আগে থেকেই অসন্তুষ্ট কোচ হাথুরু। লঙ্কান এ কোচ জাতীয় দলের দায়িত্ব নেওয়ার পর ২০১৫ সালে তিন টেস্টে মুশফিককে উইকেটকিপিং থেকে বিরত রেখেছিলেন। সেসময় গ্লাভস সামলেছিলেন লিটন দাস।
চোট ও ফর্মের কারণে বেশ কিছুদিন ধরে দলের বাইরে ছিলেন লিটন। ঘরোয়া ক্রিকেটে ভালো করায় ভারতের বিপক্ষে টেস্টে স্কোয়াডে ফেরেন তিনি। যদিও একাদশে সুযোগ মেলেনি। শ্রীলঙ্কা সফরের দলে লিটন থাকবেন বলেই আভাসও দিয়েছেন আকরাম খান।
মুশফিকের ওপর ভার কমাতে কিপিং গ্লাভস কেড়ে নেয়া হবে কিনা তা জানা যাবে বুধবার। ওই দিনই মুশফিককে নিয়ে টিম ম্যানেজম্যান্টের বসার কথা।







