এটিএম কার্ড জালিয়াতির ঘটনায় কিছু ব্যাংকের দুর্বলতার কথা বলেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। ডেপুটি গভর্নর নাজনীন সুলতানা বলেছেন, কিছু দুর্বলতা তাদের ছিলো।
‘আজকে ভিডিও ফুটেজে কিন্তু সব বের হয়ে যাচ্ছে। এই জিনিসটি নিয়ে ব্যাংকের কর্মকর্তরা আগেই তৎপর থাকলে এ ধরনের ঘটনা ঘটতো না,’ বলে এক ঘরোয়া অনুষ্ঠানে মন্তব্য করেছেন তিনি।
এটিএম কার্ড জালিয়াতি রোধে গ্রাহকদেরকেও আরো সচেতন হওয়ার আহবান
জানিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের
ডেপুটি গভর্নর নাজনীন সুলতানা জানান, এক মাসের মধ্যে সব ব্যাংকের সব এটিএম বুথে এন্টি স্কিমিং ডিভাইস বসানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
যেসব ব্যাংকে টাকা জমা বা ওঠানোর পর এসএমএস দেওয়ার ব্যবস্থা করেনি তাদেরকে অবিলম্বে এসএমএস ব্যবস্থার আওতায় আসতে হবে বলেও জানান তিনি।
অনুষ্ঠানে এটিএম কার্ড জালিয়াতির ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত ২৪ গ্রাহককে টাকা ফেরত দিয়েছে ইস্টার্ন ব্যাংক। সেসময় কেন্দ্রীয় ব্যাংক কর্মকর্তারা অন্য ব্যাংকগুলোকেও ক্ষতিগ্রস্তদের টাকা দ্রুত ফেরত দেয়ার নির্দেশ দেন।
সম্প্রতি এটিএম বুথে কার্ড জালিয়াতি করে একটি চক্র চারটি ব্যাংকের যে ৩৬ জন গ্রাহকের ২০ আখ ৫৯ হাজার টাকা হাতিয়ে নিয়েছে তাদের মধ্যে ইস্টার্ন ব্যাংকের গ্রাহক ছিলেন ২৪ জন। ওই ২৪ গ্রাহকের ১৭ লাখ ৫৩ হাজার টাকা ফেরত দেওয়া হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত গ্রাহকদের টাকা তাদের একাউন্টে পাঠিয়ে দেওয়ার পর ঘরোয়া অনুষ্ঠানটির আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে ইস্টার্ন ব্যাংক লিমিটেডের হেড অফ কমিউনিকেশন মো: জিয়াউল করিম বলেন, বৃহস্পতিবার সকালেই সবার একাউন্টে টাকা দেওয়া হয়েছে। ২৪ জনের একাউন্টে টাকা দেয়ার পর আমরা অানুষ্ঠানিকভাবে তাদেরকে ডেকেছি। তাদের মনে হয়তো শঙ্কা ছিলো যে ব্যাংকে টাকা জালিয়াতি হলে ব্যাংক তার দায়-দায়িত্ব নেবে না, সে ধারণা নিশ্চয়ই তাদের ভেঙ্গে গেছে।
তিনি বলেন: ব্যাংক যে সবসময় গ্রাহকের স্বার্থ রক্ষা করে এ বিষয়টি আমরা গ্রাহকদের বলেছি। এবং ব্যবহার করা ওই একাউন্টগুলো বন্ধ করে দিয়েছি। সেক্ষেত্রে এ ধরনের ঝুঁকি এখন আর নেই।
ব্যাংকের উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে গ্রাহকরা বলছেন, এর ফলে ব্যাংকের প্রতি মানুষের আস্থা বাড়বে।






