ঈদের ছুটি শেষে প্রথম কার্যদিবসেই শিশু রাজনের খুনি কামরুলের ভিসা বাতিলের জন্য প্রক্রিয়া শুরু করবে সৌদি সরকার। তাকে দেশে ফিরিয়ে এনে বিচারের মুখোমুখি করতে সব রকম প্রস্তুতি চলছে বলে জানিয়েছেন পুলিশের আইজি একেএম শহীদুল হক।
ঈদে ঢাকা ছেড়ে যাওয়া যাত্রীদের নিরাপত্তা ও ভোগান্তি কমাতে পুলিশ ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনার পাশাপাশি নিরাপত্তা পরিস্থিতি দেখতে মহাখালী ও গাবতলী বাস টার্মিনাল পরিদর্শন করেন শহীদুল হক।
মানুষের ঈদ যাত্রার নিরাপত্তা আর ব্যবস্থাপনার চেয়ে সাংবাদিকদের জানার আগ্রহ বেশি ছিলো সিলেটে শিশু রাজন হত্যা মামলার আসামিদের কতো দ্রুত বিচারের মুখোমুখি করা হবে সে বিষয়ে।
শহীদুল হক বলেন, সৌদি সরকার কামরুলের ভিসা বাতিল করে দিলে সে অবৈধ হয়ে যাবে এবং অবৈধ হয়ে গেলে তখন তাকে আমাদের দেশে পাঠিয়ে দেওয়া হবে। বহিঃসমর্পণ প্রক্রিয়ার তুলনায় এ পদ্ধতিকে অনেকটাই সহজ বলে উল্লেখ করেন আইজিপি।
বহিঃসমপর্ণ প্রক্রিয়ার কথা বলতে গিয়ে আইজিপি বলেন, এক্সট্রাডিশন করতে গেলে ডিপ্লোমেটিক চ্যানেলে এটা একটু সময় সাপেক্ষ হয়। সৌদি আরবে বাংলাদেশের অ্যাম্বেসেডরকে কামরুলকে ডিপোর্ট করার ব্যবস্থা করতে অনুরোধ করা হয়েছে।
কামরুলকে শিগগিরই দেশে ফিরিয়ে আনার আশাবাদ ব্যক্ত করে শহীদুল হক বলেন, ইন্টারপোল ও সৌদি আরব যে সমস্ত তথ্য বা রেকর্ড চেয়েছে আমরা সব পাঠিয়েছি। সৌদি আরবে এখন ছুটির দিন চলছে। ২৭ তারিখের পর তারা যত দ্রুত সম্ভব আসামিকে আমাদের এখানে পাঠিয়ে দেবে।
এ সময় ঈদের ছুটিতে রাজধানীর আবাসিক এলাকাগুলোর নিরাপত্তায় জনগণের সহায়তা চান আইজি।
মহাখালী টার্মিনালে পুলিশের সর্বোচ্চ কর্তাব্যক্তির কাছে নানা অভিযোগ তুলে ধরে সাধারণ মানুষ।






