আফগানিস্তানের কাবুল বিমানবন্দর এলাকায় দু’ দফা আত্মঘাতী বোমা হামলা ও গুলিবর্ষণে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৬০ জনে দাঁড়িয়েছে। নিহতদের কমপক্ষে ১২ জন মার্কিন সেনাসদস্য বলে নিশ্চিত করেছে পেন্টাগন। আহত হয়েছে মার্কিন সেনা ও তালেবান নিরাপত্তা সদস্যসহ কমপক্ষে ১শ’ ৪০ জন।
হামলার দায় স্বীকার করেছে জঙ্গিগোষ্ঠী আইএস। মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন হুঁশিয়ার করেছেন হামলায় জড়িতদের কোনো ছাড় দেবে না যুক্তরাষ্ট্র।
আগে গোয়েন্দাদের হুঁশিয়ারি ছিলো যে, হামলা হতে পারে কাবুল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে। সবাইকে বিমানবন্দর এলাকা থেকে দূরে থাকার ব্যাপারে সতর্কও করেছিলো মার্কিন দূতাবাস। হামলার সেই আশঙ্কাই সত্যি হলো বৃহস্পতিবার।
প্রথমে কাবুল বিমানবন্দরের প্রধান প্রবেশপথ থেকে কিছুটা দূরে অ্যাবি গেটে আত্মঘাতী বোমা বিস্ফোরণ। এই অ্যাবি গেটেই অবস্থান নিয়েছিলেন বিমানবন্দরের দায়িত্বে থাকা মার্কিন ও ব্রিটিশ সেনারা। এরপর কাছের একটি হোটেলে দ্বিতীয় দফায় বিস্ফোরণ ঘটে। বোমা হামলার পরেই বিদেশি সেনাসদস্য ও জনসাধারণকে লক্ষ্য করে গুলিবর্ষণ করে জঙ্গিরা।
হামলার পর সংবাদ সম্মেলনে মার্কিন প্রতিরক্ষা সদর দপ্তর পেন্টাগন জানায় হামলার পেছনে আছে জঙ্গিগোষ্ঠী আইএসের আঞ্চলিক সহযোগী ইসলামিক স্টেট খোরাসান। কাবুল বিমানবন্দরকে লক্ষ্য করে আইএস আরও হামলা চালাতে পারে বলেও আশঙ্কা করেছে যুক্তরাষ্ট্র। হামলায় জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থার ঘোষণা দিয়েছে পেন্টাগন।
হামলা-পরবতী ব্রিফিংয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, সন্ত্রাসবাদের সামনে যুক্তরাষ্ট্র মাথানত করবে না। কাবুল থেকে নাগরিকদের অপসারণের কাজও বন্ধ হবে না।
এদিকে নিরাপত্তা পরিষদের জরুরি সভা ডেকেছে বিশ্ব জাতিসংঘ। হামলার ঘটনায় নিন্দা ও শোক জানিয়েছে সংস্থাটি।








