কোস্টারিকার বিরুদ্ধে ম্যাচের শেষ মুহূর্তে গোল করার পর দু’হাতে চোখ ঢেকে কান্নায় ভেঙে পড়েন নেইমার। তাৎক্ষণিকভাবে ব্রাজিল তারকার কান্নার কারণ জানা যায়নি। তখন তিনিও কিছু বলেননি। পরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে কান্নার ব্যাখ্যা দিয়েছেন পিএসজি ফরোয়ার্ড। এই কান্নাকে ‘সুখের কান্না’ বলেই জানিয়েছেন তিনি।
প্রথম ম্যাচে সুইজারল্যান্ডের বিরুদ্ধে ১-১ গোলে ড্র’র পর এমনিতেই চাপে ছিল ব্রাজিল। আগের ম্যাচে গোল না পাওয়ায় একই রকম চাপে ছিলেন নেইমারও।
কোস্টারিকা ম্যাচেও নির্ধারিত সময়ে গোল পায়নি ব্রাজিল। এ নিয়ে নেইমার ও তার সতীর্থরা মাঝে মাঝেই মেজাজ হারিয়েছেন। পরে অতিরিক্ত সময়ে ফিলিপে কৌতিনহো ও নেইমার গোল করে দলকে ২-০ ব্যবধানের জয় এনে দেন।
দলের দ্বিতীয় আর এই বিশ্বকাপে নিজের প্রথম গোল করে কাঁদতে থাকেন নেইমার। ম্যাচ শেষে কান্নার বিষয়ে সাংবাদিকদের কিছু বলেননি। পরে ইন্সটাগ্রামে কান্নার ব্যাখ্যা দেন তিনি। বলেন, ’কথা বলা সহজ’ কিন্তু কাজ করাটা খুবই কঠিন’।
দীর্ঘ ইনজুরির পর গোল করে আবেগ ধরে রাখতে পারেননি নেইমার। হাঁটুর কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘সবাই জানে না আমার এখানে (হাঁটু) কি ঘটেছে, কথা বলাটা সহজ, এমনকি একটা তোতা পাখিও এটা করতে পারে, কিন্তু কিছু করাটা খুবই কঠিন … খুব অল্প লোকই তা করতে পারেন !!’
এই কান্নাকে আনন্দের কান্না উল্লেখ করে ব্রাজিল বিস্ময় বালকের সংযোজন, ‘এটা আনন্দের কান্না, জয়ের কান্না, ইচ্ছাশক্তি এবং জয় করার বাসনা পূরণের কান্না। আমার জীবনে এটা কখনোই সহজ ছিল না, এখনও না, এটাই সত্য।’
এরপরই সতীর্থদের জন্য বার্তা নেইমারের, ‘স্বপ্ন চলছেই, তবে স্বপ্ন নয় … মিশন! ম্যাচের জন্য ছেলেদের অভিনন্দন, তোমরাই সেরা।’







