দ্বিতীয় টেস্টের সময় যত এগিয়ে আসছে, সাকিব আল হাসানকে ঘিরে আলোচনা ততই বাড়ছে। ব্যাটিং করার সময় চোখের সমস্যা রয়েছে, বোলিংয়ের সময় ভোগাচ্ছে আঙুলের চোট। তাতে বোলিং ফর্ম নেমে গেছে একদম তলানিতে। একাদশে সাকিব থাকার পরও চেন্নাই টেস্টে বাংলাদেশ চার বোলার নিয়ে খেলেছে বলাটা তাই বাড়াবাড়ি না মোটেও। কানপুরে ঘুরে দাঁড়ানোর লড়াইয়ে সেজন্য সাকিবের খেলার সম্ভাবনা ক্রমশ কমছে!
চেন্নাই ছেড়ে কানপুরে পৌঁছেছে বাংলাদেশ দল। সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টের ভেন্যুতে বুধবারের অনুশীলনে হয়ত বোঝা যাবে সাকিবের অবস্থা। শুক্রবার শুরু হবে দ্বিতীয় টেস্ট। অল্প সময়ে আঙুলের ব্যথা থেকে মুক্তি পাওয়া তার জন্য কঠিনই।
চেন্নাই টেস্টে ব্যাটারদের ব্যর্থতায় খাবি খেতে হয়েছে সফরকারীদের। হারতে হয়েছে ২৮০ রানের বড় ব্যবধানে। সোয়া তিন দিনে ভাগ্য গড়া হয়ে যায় শান্তবাহিনীর। কানপুরে শক্তিশালী ভারতের বিপক্ষে বাংলাদেশের হোয়াইটওয়াশ এড়ানোর লড়াই শুরু ২৭ সেপ্টেম্বর। সাকিবের আঙুল সেরে ওঠার মতো সময়ও কম মাঝে।
ভারতের মাটিতে টেস্টে কখনোই প্রত্যাশা মেটাতে পারেনি বাংলাদেশ। সম্প্রতি পাকিস্তানে সিরিজ জিতে আসায় মুশফিক-মুমিনুলদের নিয়ে প্রত্যাশা ছিল বড়। শক্তিশালী ভারতকে চ্যালেঞ্জে ফেলার লক্ষ্য ছিল দলের। কিন্তু চেন্নাই টেস্টের ফল হয়েছে উল্টো। হেসেখেলে বাংলাদেশকে কাবু করেছে রোহিত শর্মার দল।
বাংলাদেশের পেস আক্রমণ দারুণ করলেও স্পিনে মেটেনি প্রত্যাশা। সাকিব ছিলেন নিষ্প্রভ। এ বাঁহাতি স্পিনার ব্যাটিং করার সময় স্পিনিং আঙুলে চোট পান, সোমবার জানিয়েছেন নির্বাচক হান্নান সরকার। পরের টেস্টে সাকিব খেলবেন কিনা সেটি জানতে অপেক্ষা করতে বলেছেন তিনি।
ব্যাটারদের ভরাডুবির টেস্টে অন্যদের সঙ্গে তুলনা করলেও ব্যাটিং সাকিব খুব খারাপ করেনি। নির্বাচক জানিয়েছেন, বোলিং করতে না পারলে শুধু ব্যাটার হিসেবে খেলানো যায় কিনা সেটি নিয়েও ভাবছে টিম ম্যানেজমেন্ট। প্রথম টেস্টে ডাগআউটে বসে থাকা আরেক সেরা বাঁহাতি স্পিনার তাইজুল ইসলামের একাদশে থাকা অনেকটা নিশ্চিত।








