অসাংবিধানিক পথে ক্ষমতা হস্তান্তরের কোনো চক্রান্ত হলে দাঁতভাঙা জবাব দেওয়া হবে বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।
তিনি বলেছেন, ‘নির্বাচন বানচালের অপচেষ্টা যদি কেউ করতে চায়, অসাংবিধানিক পথে ক্ষমতা হস্তান্তরের কোনো চক্রান্ত দেশে চলে; তাহলে আমাদের নেতাকর্মীসহ সর্বস্তরের জনগণকে সঙ্গে নিয়ে দাঁতভাঙ্গা জবাব দেবো।’
বৃহস্পতিবার বিকালে আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে সম্পাদকমণ্ডলীর সাথে সহযোগী সংগঠন এবং ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক, ঢাকা মহানগরীর সকল সংসদ সদস্য এবং ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের মেয়রদের সাথে যৌথসভা শেষে সংবাদ সম্মেলনে কাদের এসব কথা বলেন।
তিনি আরো বলেন, ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে নাশকতার বিরুদ্ধে সহিংসতার বিরুদ্ধে আমরা প্রস্তুত। কেউ এমনটা করতে আসলে তার জবাব আমরা রাজনৈতিকভাবে দেবো। পলিটিক্স-এর পলিটিক্স কিন্তু ভায়োলেন্ট যদি কেউ করেন সেটা বরদাস্ত করা হবে না। যে কোনো সহিংসতার জবাব জনগণ ও দেবে আইন প্রয়োগকারী সংস্থাও প্রস্তুত থাকবে।
বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ যে সাংগঠনিক গণসংযোগ কর্মসূচি হাতে নিয়েছে আগামীকাল থেকে সেটা সারাদেশে আরো বিস্তৃত হবে বলে সংবাদ সম্মেলন থেকে জানান আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক।
বলেন: সময়টা খুব চ্যালেঞ্জিং। সংলাপ হওয়ার আগে হতাশা প্রকাশের যুক্তি নেই। যেকোন পরিস্থিতি মোকাবেলার জন্য আমরা রাজনৈতিক ভাবে, সাংগঠনিক ভাবে প্রস্তুত। সারাদেশে নির্বাচন উপলক্ষে ফেস্টিভ মুড বিরাজ করছে। নির্বাচন কমিশনের আচরণবিধি সবার জন্য একই। আমরা মেনে চলব। এটা আমাদের অঙ্গিকার।
সংলাপে বসার আগে বিএনপি নেতাকর্মীদের গ্রেপ্তারের অভিযোগ এড়িয়ে সব কিছুর জন্য আরও দু’ঘণ্টা (গণভবনে সংলাপ) অপেক্ষা করার জন্য সকলকে অপেক্ষা করার পরামর্শ দেন কাদের।
সংবাদ সম্মেলনে আরো উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল-আলম হানিফ, জাহাঙ্গীর কবির নানক, আব্দুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক একেএম এনামুল হক শামীম, খালিদ মাহমুদ চৌধুরী, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সম্পাদক মৃণাল কান্তি দাস, দপ্তর সম্পাদক আবদুস সোবহান গোলাপ, উপ-দপ্তর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া, কেন্দ্রীয় সদস্য এবিএম রিয়াজুল কবির কাওছার, মারুফা আক্তার পপি প্রমুখ।







