বাবু রহমান: সেটা ছিল ১৮২৬ (অথবা ১৮২৭, এটুকু এখনো অমিমাংসিত), দুনিয়ার বুকে প্রথম ফটোগ্রাফটি তুলেছিলেন একজন ফ্রেন্স নাগরিক ‘নিপসে নিসেফর।‘ বিটুমিন জুদির কোটিং করা একটি মেটাল প্লেটের ওপর হেলিওগ্রাফি পদ্ধতিতে এচিং করে এই ফটোগ্রাফটি করা হয়।
আলোছায়া কাজে লাগিয়ে ইমেজ ধারণের বিষয় বা ক্যামেরা সম্পর্কিত ধ্যান-ধারণা নিয়ে কাজকর্ম শুরু হয়েছিল তারও প্রায় ২৩০০ বছর আগেই (খ্রীষ্টপূর্ব ৪০০), তবে কোনো শক্ত ও ধর্তব্য বস্তুতে ইমেজ প্রতিস্থাপনের কাজটা সম্পন্ন হয়েছিল ওটাই প্রথম। কাঠ দিয়ে বানানো অবসক্যুরে নামক একটি ক্যামেরার সাহায্য নেয়া হয়েছিল ওই ছবিটা করতে।
নিসেফর এরপর ১৮২৯ সালে লুইস দাগুরে নামক এমন এক ভদ্রলোকের সংগে পার্টনারশীপ গড়ে তোলেন যিনি ছিলেন ফটোগ্রাফি নিয়ে ভাবনা চিন্তায় আরও কয়েকধাপ বাড়ন্ত। তিনি ইতিহাসে বহুল পরিচিত দাগুর্যে টাইপ ক্যামেরার জনক। দুজনের যৌথ কর্মকান্ড ফটোগ্রাফির অগ্রযাত্রাকে শক্তিমান করে উল্লেখযোগ্যভাবে তরান্বিত করে দেয়।
এরপর অবশ্য ফটোগ্রাফি জগতটা আরও অনেক অনেক রথি মহারথির হাত ধরে চলতে সক্ষম হয়, ফলে সেটা ফিল্ম-এনালগ-ডিজিটাল এমন নানাধরনের পদ্ধতিভিত্তিক অবস্থার মধ্যদিয়ে পৌছে যায় আজকের এই চোখ ধাঁধানো হৃদয় হারানো অবস্থানে। আজ হাতে হাতে মোবাইল ফোন মানেই হাতে হাতে ক্যামেরা, ছোট বড় সকলেই ফটোগ্রাফার আমরা।








