জাতীয় ক্রিকেট দলের বর্তমান অবস্থাকে ‘নোংরা পরিবেশ’ বলে মন্তব্য করা খালেদ মাহমুদ সুজন বোর্ডকে এখনো পদত্যাগ করার কথা বলেননি। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে টি-টুয়েন্টি সিরিজের সময় সাংবাদিকদের তিনি বলেছিলেন, ‘ব্যক্তিগতভাবে আমি আর আগ্রহী না। আমার আসলে বাংলাদেশ ক্রিকেটের সঙ্গেই কাজ করতে ইচ্ছে করছে না। নোংরা লাগছে সবকিছু।’
সুজনের এমন মন্তব্যকে ‘ব্যক্তিগত’ বলছেন বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন, ‘এটা তার ব্যক্তিগত কথা। দলের অবস্থা নিয়ে তার সঙ্গে আলোচনার সময় এ বিষয়ে আমাকে কিছু বলেনি।
সুজন একসঙ্গে ক্লাব ক্রিকেটসহ বিসিবির একাধিক পদে আছেন। ২০১৫ সালের জুনে জাতীয় দলের ম্যানেজারের পদ থেকে একবার পদত্যাগ করেন। কিন্তু কয়েক ঘণ্টা পর সেই পদত্যাগপত্র প্রত্যাহার করে নেন।
হাথুরুসিংহে চলে যাওয়ার পর ত্রিদেশীয় সিরিজে দায়িত্ব দেয়া হয় সুজনকে। তার অধীনে শুরুটা হয় দুর্দান্ত। কিন্তু সময় যেতেই সব ভেঙে পড়ে। ত্রিদেশীয় সিরিজের শেষ দুই ম্যাচ এবং টেস্টে বাজেভাবে হেরে যায় বাংলাদেশ। টি-টুয়েন্টির দুই ম্যাচেও হার।
চট্টগ্রাম টেস্ট ড্র করার পর মোসাদ্দেক হোসেন সৈকতকে একাদশ থেকে বাদ দেয়া হয়। এ নিয়ে কয়েকটি পত্রিকায় খবর প্রকাশিত হয়, ‘প্রিমিয়ার লিগে আবাহনীর হয়ে মোসাদ্দেককে খেলাতে জাতীয় দল থেকে বাদ দেয়া হয়েছে!’
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও এসব নিয়ে সমালোচনার ঝড় ওঠে। এমন সমালোচনা দেখে ১২ ফেব্রুয়ারি সুজন আক্ষেপ করে বলেছিলেন, ‘বাংলাদেশ দল ছাড়া অন্য কিছু আমাকে ছুঁতে পারবে না। যখন নেতিবাচক কথা বলা হয়, সত্যি কষ্ট লাগে। তখন মনে হয় এত বছর ক্রিকেটের সঙ্গে থেকে কী লাভ হল।
টেকনিক্যাল ডিরেক্টর হিসেবে সুজনের কাজে বোর্ড খুশি কি না, এমন প্রশ্নের জবাব সরাসরি না দিয়ে নাজমুল হাসান পাপন বলেন, ‘যে কাউকে দায়িত্ব দিলে চেষ্টা করতো। তারা চেষ্টা করেছে।’








