ইনজুরি আর নিষেধাজ্ঞার জেরে অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদে নিজের দ্বিতীয় ইনিংসের বেশিভাগ সময়ই নেতিবাচকভাবে যাচ্ছে ডিয়েগো কস্তার। সেটা আরও বড় হয়ে দেখা দিয়েছে শনিবার রাতে বার্সেলোনার বিপক্ষে লাল কার্ডের পর।
পেশিতে সমস্যা, নিষেধাজ্ঞা এবং পায়ে অপারেশন কস্তার ধারাবাহিকতায় বাধা দিচ্ছে লম্বা সময় ধরে। সেইসঙ্গে বাজে ফর্মে ‘লস রোজাব্লাঙ্কোসদের’ সঙ্গে তার ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত। এতটাই অনিশ্চিত যে, কস্তার অ্যাটলেটিকো অধ্যায়ের শেষ? এমনও প্রশ্ন উঠছে।
চলতি মৌসুমে এখন পর্যন্ত ৪৪টি প্রতিযোগিতামূলক ম্যাচে খেলেছে অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদ (লা লিগায় ৩১, চ্যাম্পিয়ন্স লিগে আট ও উয়েফা সুপার কাপ)। দলের হয়ে এই মৌসুমে কস্তা গোল করেছেন ২১টি (লা লিগায় ১৬, চ্যাম্পিয়ন্স লিগে চার ও সুপার কাপের একটি)। মৌসুমে সম্ভাব্য ৩৯৯০ মিনিটের মধ্যে ১৫৩০ মিনিট খেলেছেন কস্তা। যা শতাংশের হিসেবে ৩৮’র সামান্য উপরে।
অথচ চেলসি থেকে ফিরে অ্যাটলেটিকোর হয়ে দ্বিতীয় অধ্যায়টা বেশ ভালোভাবেই শুরু করেছিলেন কস্তা। তার জোড়া গোলেই এস্তোনিয়ায় অনুষ্ঠিত উয়েফা সুপার কাপের ফাইনালে নগরপ্রতিদ্বন্দ্বী রিয়াল মাদ্রিদকে হারিয়ে শিরোপা জেতে ডিয়েগো সিমিওনের দল। এরপর লিগে টানা সাত ম্যাচ খেলার পর পেশির সমস্যায় পড়েন।
দুই ম্যাচ মিস করার পর দলে ফিরলেও আবার ইনজুরিতে পড়েন। দ্বিতীয়বার ইনজুরি থেকে ফিরে চ্যাম্পিয়ন্স লিগে বরুসিয়া ডর্টমুন্ডের বিপক্ষে ঘরের মাঠে প্রথম লেগে খেলতে পারলেও দ্বিতীয় লেগে আর পারেননি।
শনিবার রাতে ম্যাচের ২৮ মিনিটেই লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়েন কস্তা। বার্সেলোনার কাছে ২-০তে ম্যাচ হারের সঙ্গে শিরোপা দৌড় থেকেও ছিটকে যায় অ্যাটলেটিকো। লাল কার্ডের সঙ্গে কস্তার জন্য বিপদের খবর, রেফারির মাকে তুলে তার মন্তব্যের জন্য চার থেকে ১২ ম্যাচ পর্যন্ত নিষিদ্ধ হতে পারেন।
৩০ বছরের কস্তার সঙ্গে অ্যাটলেটিকোর চুক্তি আছে ২০২১ পর্যন্ত। কিন্তু এরমধ্যেই নাপোলি স্ট্রাইকার লরেনজো ইনসিগনের সঙ্গে ক্লাব যোগযোগ করছে এবং স্প্যানিশ দৈনিক এএস খবর- নীতিনির্ধারকদের অনেকে বলছেন, কস্তার জন্য অন্যদের কাছ থেকে পাওয়া প্রস্তাবগুলো যেন ক্লাব মনোযোগ দিয়ে শোনে!







