আবারও ব্রাজিলিয়ানদের দু:খ স্বপ্নের নাম কলম্বিয়া। পেরুর সঙ্গে ২-১ গোলের জয়ে শুভ সূচনার পর কলম্বিয়ার বিপক্ষে হোঁচট খেয়েছে কার্লোস দুঙ্গার শিষ্যরা। ব্রাজিলের পরাজয়ের দিনে কলম্বিয়ানদের পক্ষে একমাত্র গোলটি করেন জেসন মুয়েলর।
মঞ্চটাই যেনো শুধুই আলাদা তাছাড়া বর্তমান প্রেক্ষাপট সেই ব্রাজিল বিশ্বকাপ’১৪ এর মতো। দেশের মাটিতে বিশ্বকাপে কলম্বিয়ার সাথেই কোয়ার্টার ফাইনালে আহত হয়ে বিশ্বকাপ যাত্রা শেষ হয় সেলেসাও স্বপ্ন সারথী নেইমারের। এর পরের ঘটনাতো সবার জানা। সেমিফাইনালে ১-৭ গোলের লজ্জ্বা নিয়ে মাঠ ছাড়তে হয়েছিলো স্কলারির শিষ্যদের।
বিশ্বকাপ পরবর্তি সময়ে দুঙ্গার অধীনে প্রথম কোনো প্রতিযোগিতামূলক ম্যাচে হারের স্বাদ পেলো ব্রাজিল।
ম্যাচের শুরু থেকেই প্রভাব বিস্তার করে খেলতে থাকা দুই দলের মধ্যে অবশ্য প্রথম সুযোগ পেয়েছিলো ব্রাজিলই। ২ মিনিটে উইলিয়ানের দুর্দান্ত শট স্থান করে নিতে পারেনি কলম্বিয়ার জাল। ফিরতি বলেই আক্রমণে যায় কলম্বিয়া। এডিন ভ্যালিন্সিয়ার বাড়ানো বল পান হামেস রদ্রিগেজ। তবে এ যাত্রায় ব্যর্থ তিনি।
এরপর আক্রমণ প্রতি-আক্রমণে খেলা জমে উঠলেও গোলের জন্য দর্শকদের অপেক্ষা করতে হয় ৩৬ মিনিট পর্যন্ত। কলম্বিয়ানদের পক্ষে গোল করেন জেসন মুয়েলর।
প্রথমার্ধে দুইদল গোলের চেষ্টা করে কেউই আর গোলের দেখা পায়নি। দ্বিতীয়ার্ধে ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয় দুঙ্গার শিষ্যরা।
তবে ৭৯ মিনিটে পরিস্কার গোলের সুযোগ পেয়েও বঞ্চিত হয় ব্রাজিল। কলম্বিয়ান ডিফেন্সের ভুলে ফাঁকা পোস্ট পেয়েও জাল খুঁজে পায়নি রবার্তো ফিরনিমো।
শেষ পর্যন্ত ব্রাজিল আর গোল না পেলে ১-০ গোলের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে কলম্বিয়া।
হারের সঙ্গে ব্রাজিল দল ও সমর্থকদের জন্য আরো খারাপ হলো ম্যাচে লালকার্ড পেয়েছেন অধিনায়ক নেইমার। খেলার শেষ বাঁশি বাজার পর দু’দলের খেলোয়াড়রা সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এসময় কলম্বিয়ার জেসন মুরিলিয়াকে মাথা দিয়ে আঘাত করেন নেইমার। সঙ্গে সঙ্গে তাকে কালকার্ড দেখান রেফারি। এসময় কলম্বিয়ার কার্লোস বাকাকেও লালকার্ড দেখানো হয়।
লালকার্ড দেখায় দুই থেকে তিন ম্যাচ নিষিদ্ধ হতে পারেন নেইমার। সেটা হলে গ্রুপপর্বের শেষ ম্যাচে ভেনেজুয়েলার বিপক্ষে তাকে ছাড়াই মাঠে নামতে হবে ব্রাজিলকে। আর ব্রাজিল যদি কোয়ার্টার ফাইনালে উঠে সেই ম্যাচে নেইমারকে পাবে না তারা।







