৪৫তম কলকাতা আন্তর্জাতিক বইমেলায় বৃহষ্পতিবার থেকে দুই দিনব্যাপী উদযাপন হচ্ছে বাংলাদেশ দিবস।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বইমেলা প্রাঙ্গণে এসবিআই অডিটোরিয়ামে বঙ্গবন্ধু, মুক্তিযুদ্ধ ও বাংলাদেশ বিষয়ক একাধিক সেমিনার ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে পশ্চিমবঙ্গের লেখক-পাঠক-প্রকাশকসহ নানা শ্রেণী পেশার মানুষজন উপস্থিত ছিলেন।
জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটির পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, এবারের বইমেলায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবর্ষ এবং বাংলাদেশের স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষ্যে বাংলাদেশকে নিয়ে নানান অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। ২৮শে ফেব্রুয়ারি থেকে ১৩ই মার্চ পর্যন্ত চলা এ বছরের কলকাতা আন্তর্জাতিক বইমেলা বঙ্গবন্ধুর নামে উৎসর্গ করা হয়েছে। এতে বাংলাদেশকে থিম কান্ট্রি করা হয়েছে।
বাংলাদেশ প্যাভেলিয়নে প্রতিদিন ভিড় করছেন পশ্চিমবঙ্গের বিপুলসংখ্যক পাঠক। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটির স্টলসহ বাংলাদেশের সরকারি-বেসরকারি মোট ৪০টি প্রকাশনীর স্টলেও আগ্রহী পাঠকের ভিড় লক্ষ্যণীয়।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, বাংলাদেশ দিবস উদযাপনের ১ম দিন, বৃহস্পতিবার বিকেল ৩:০০টায় শুরু হয় জমজমাট সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। এরপর ২টি সেমিনার ছিল। ১ম সেমিনারের বিষয় ছিল ‘‘রাজনীতির কবি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব ও তার ৩টি বই (অসমাপ্ত আত্মজীবনী, কারাগারের রোজনামচা ও আমার দেখা নয়াচীন)। মূল আলোচক ছিলেন জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটির প্রধান সমন্বয়ক ও বাংলাদেশের প্রখ্যাত কবি কামাল চৌধুরী। আরও আলোচনা করেন বাংলাদেশের কবি তারিক সুজাত, ‘বাংলাদেশ মুক্তিযুদ্ধ মৈত্রী সম্মাননা’ প্রাপ্ত পশ্চিমবঙ্গের বিশিষ্ট সাংবাদিক সুখরঞ্জন দাশগুপ্ত ও কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের অধ্যাপক চিন্ময় গুহ। এই সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন বাংলা একাডেমির সভাপতি কথাসাহিত্যিক সেলিনা হোসেন। অনুষ্ঠানটির উপস্থাপনায় ছিলেন শিহাব শাহরিয়ার।
দ্বিতীয় সেমিনারের বিষয় ছিল ‘বাংলাদেশ-ভারত বই বিনিময় ও বিপণন: সমস্যা ও সম্ভাবনা’। এতে মূল আলোচক ছিলেন বাংলাদেশের প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান ইউনিভার্সিটি প্রেস লিমিটেড-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাহরুখ মহিউদ্দিন। আরও আলোচনা করেন বাংলাদেশ জ্ঞান ও সৃজনশীল প্রকাশনা সমিতির সভাপতি ফরিদ আহমেদ, বাংলাদেশ পুস্তক প্রকাশক ও সৃজনশীল প্রকাশক সমিতির সহ-সভাপতি মাজহারুল ইসলাম, কলকাতা আন্তর্জাতিক বইমেলার আয়োজক পাবলিশার্স ও বুকসেলার্স গিল্ডের সাধারণ সম্পাদক ত্রিদিব কুমার চট্টোপাধ্যায় এবং পশ্চিমবঙ্গের প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান দে’জ পাবলিশিং-এর কর্নধার সুধাংশু শেখর দে। সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক কবি মুহম্মদ নূরুল হুদা। উপস্থাপনা করেন রূপা চক্রবর্তী।
সেমিনার পর্বে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন কলকাতায় নিযুক্ত বাংলাদেশের উপহাইকমিশনার তৌফিক হাসান। ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্রের পরিচালক মিনার মনসুর।







