একক দেশ হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে ৫০ হাজারেরও বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে। বিবিসি বলছে, গত ২৪ ঘণ্টায় অন্তত ৩ হাজার জনসহ দেশটিতে মোট মৃতের সংখ্যা ৫২ হাজার ১৮৫ জন।
করোনাভাইরাসে যুক্তরাষ্ট্রে নিশ্চিত আক্রান্তের সংখ্যা ৯ লাখ ২৫ হাজারেরও বেশি। বিশ্বে সবচেয়ে বেশি মৃত ও আক্রান্তের সংখ্যাও এখানেই।
যদিও দেশটিতে মৃতের হার অন্যান্য ইউরোপীয় দেশগুলোর তুলনায় কম বলেই দাবি করেছে হোয়াইট হাউজ টাস্কফোর্স।
যুক্তরাষ্ট্রের পরে এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে সবচেয়ে বেশি মৃত্যুর সংখ্যা ইতালিতে। সেখানে প্রাণ হারিয়েছে ২৫ হাজার ৯৬৯ জন। আর স্পেনে ২২ হাজার ৫২৪ জন, ফ্রান্সে ২২ হাজার ২৪৫ জন। যুক্তরাজ্যে মোট মৃত ১৯ হাজার ৫০৬ জন।
যুক্তরাষ্ট্রের জনসংখ্যা ৩৩০ মিলিয়ন যেটা অন্যান্য বেশি আক্রান্ত দেশ যেমন স্পেন বা ইটালির থেকে অনেক বেশি।
হোয়াইট হাউজের কোভিড-১৯ টাস্ক ফোর্স বিশেষজ্ঞ ড. দেবোরাহ ব্রিক্স বলেন, দেশটিতে বিশ্বের সবচেয়ে কম মৃত্যুর হার। মাথাপিছু হিসেবে স্পেন, ইতালি, ফ্রান্স, বেলজিয়াম এবং যুক্তরাজ্যের থেকেও এখানে মৃত্যু হার কম।
এসবের মধ্যে সবচেয়ে ভয়াবহ যে তথ্যটি পাওয়া গেছে, তা হলো যুক্তরাষ্ট্রের অনেক অংশে কয়েক সপ্তাহের লকডাউন শেষে আবারও সবকিছু খুলতে যাচ্ছে। জর্জিয়া, আলাস্কা ও ওকলাহোমাতে কিছু চুল কাটার সেলুন, খেলার মাঠ ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান শুক্রবার থেকে খোলা হবে।
গত বছরের ডিসেম্বরে চীনের উহান শহর থেকে ছড়িয়ে পড়ে করোনাভাইরাস। পরে বিশ্বব্যাপী সেটা মহামারী রূপ ধারণ করে। বর্তমানে সারাবিশ্বে এই ভাইরাসে আক্রান্ত ২৮ লাখ ৩০ হাজারেরও বেশি মানুষ। আর প্রাণ হারিয়েছে প্রায় দুই লাখ মানুষ।








