সাতক্ষীরায় আবাদ হয়েছে কমলা রংয়ের মিষ্টি আলু। উৎপাদিত মিষ্টি আলু জেলার চাহিদা মিটিয়ে পাঠানো হচ্ছে অন্য জেলাগুলোতেও। অল্প খরচে চাষ করায় কৃষকরাও লাভবান হয়েছে কমলা আলু চাষে।
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর ও বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইন্সটিটিউটের সহযোগিতায় সাসটেইন প্রজেক্ট ইন্টারন্যাশনাল পটেটো সেন্টারের অর্থায়নে সাতক্ষীরায় প্রায় আড়াইশ একর জমিতে চাষ হয়েছে কমলা মিষ্টি আলু।
প্রতি বিঘায় কৃষকের খরচ হয়েছে চার থেকে পাঁচ হাজার টাকা। এই মিষ্টি আলু চাষে কোনো কিটনাশক, সেচ বা সারের প্রয়োজন হয় না। কোনো পরিচর্যা ছাড়াই বিঘায় ফলন এসেছে একশ’ ১৫ থেকে একশ’ ১৮ মণ।
সাতক্ষীরার এক কৃষক বলেন, এই আলুর ফলন বেশি এবং খেতেও ভালো লাগে।
বাজারে কমলা রং এর মিষ্টি আলুর দাম প্রতি মণ পাঁচশ’ টাকা। এই হিসেবে বিঘা প্রতি কৃষকের আয় প্রায় ৪০ হাজার টাকা।
আরেক কৃষক বলেন, এই আলু চাষে আমরা ফলন অনেক ভালো পেয়েছি। এর প্রতিটি গিটে তিন থেকে চারটি আলু পেয়েছি। ওজনের দিকে একটা আলু ৫শ থেকে সাড়ে ৬শ গ্রাম পর্যন্ত পেয়েছি।
এ অঞ্চলে প্রায় পাঁচশ কৃষককে মিষ্টি আলু আবাদে উদ্বুদ্ধ করা হয়েছে বলে জানাচ্ছেন সংশ্লিষ্টরা।
সাসটেইন প্রজেক্ট ইন্টারন্যাশনালের রিজিওনাল ম্যানেজার নাজিম উদ্দিন বলেন, আমরা ব্রাকের মাধ্যমে ৫শ আলু চাষিকে এই মিষ্টি আলু চাষের জন্য নির্বাচন করি। তাদেরকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয় এবং পরে মিষ্টি আলুর লতা প্রদান করা হয়।
সাসটেইন প্রজেক্ট ইন্টারন্যাশনালের ফিল্ড কো-অর্ডিনেটর সাজ্জাদুল ইসলাম বলেন, কমলা শাসযুক্ত মিষ্টি আলু এটা আমরা প্রথমবার চাষিকে দিয়েছি। এটার ফলন লোকাল আলুর চেয়ে বেশি এবং তাই চাষিরা সানন্দে আবাদ করেছে।
কার্তিক মাসে মিষ্টি আলুর লতা জমিতে লাগানো হয়। মাত্র তিন মাসেই আলু তুলতে পারেন কৃষক।







