বিদায়ী শিল্পী সমিতির সভাপতি মিশা সওদাগর ও সেক্রেটারি জায়েদ খান প্যানেলের কমিটির সাধারণ সভা ছিলো শুক্রবার। অথচ এই কমিটির সহ-সভাপতি হয়েও কথা বলতে পারেননি রিয়াজ। এমন অভিযোগ এনে সভা থেকে বেরিয়ে গেলেন এই নায়ক।
সভায় উপস্থিত একাধিক ব্যক্তি জানান, রিয়াজ ৩০ মিনিট অপেক্ষা করে কথা বলার সুযোগ চাইলেও তাকে কথা বলতে দেয়া হয়নি। এ নিয়ে সভায় হইচই হয় বেঁধে যায়।
রিয়াজ বলেন, চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির গঠনতন্ত্রের কোন ধারায় আছে, সভাপতি আর সাধারণ সম্পাদক ছাড়া বর্তমান কমিটির কেউ কথা বলতে পারবেন না? এমন কোনো ধারা নেই। তাদের কিসের ভয়? আমি তাদের কাণ্ডকীর্তি ফাঁস করে দিতাম? সাধারণ সভায় তারা এমনভাবে কথা বলছিলেন যে বর্তমান কমিটির সব অর্জন শুধু তাদের দুজনের। বাকিদের কোনো ভূমিকা নেই। এসব নোংরামি। এই নোংরামির মধ্যে আমি থাকতে চাইনি। তাই সেখান থেকে বের হয়ে এসেছি।
আপনি কী বলতে চেয়েছিলেন জানতে চাইলে রিয়াজ বলেন, এমনিতেই প্রতিবছর একবার করে সাধারণ সভা হওয়ার নিয়ম। কমিটির কয়েকজনের কারণে তা করা যায়নি। দুই বছরের সভা এবার একসঙ্গে হচ্ছে। কিছু তো জানার বা বলার থাকতেই পারে।
আয়-ব্যয়ের হিসাব প্রসঙ্গে রিয়াজ বলেন, কমিটির কোষাধ্যক্ষ যে আয়-ব্যয়ের হিসেব দিয়েছেন, তা আমার কাছে পরিষ্কার নয়। দুই বছরে অনুদান হিসেবে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতি সংগ্রহ করেছে ৫৮ লাখ ৭০ হাজার ৯৬ টাকা। শিল্পীদের জন্য খরচ হয়েছে ২ লাখ ৯১ হাজার ৩০০ টাকা। এই সহযোগিতার খরচ কি আরও বাড়ানো যেত না? এই টাকা তো শিল্পীদের সহযোগিতার জন্য দাতারা অনুদান দিয়েছেন। এত টাকা ফান্ডে ফেলে রাখার কারণ কী?
সভায় আর কী বলতে চেয়েছিলেন রিয়াজ? এ বিষয়ে তিনি বলেন: নতুন ভোটার তালিকায় অনেককে বাদ দেওয়া হয়েছে। বার্ষিক সাধারণ সভার অনুমোদন ছাড়া চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করা যায় না। কমিটির কয়েকজন সদস্য প্রভাব খাটিয়ে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করেছেন। এসব অনিয়মের ব্যাপারে সভায় কথা বলতে চেয়েছিলাম।
সর্বশেষ নির্বাচনে অংশ নিয়ে সহ-সভাপতি পদে জয় পেলেও এবার তিনি নির্বাচন করছেন না। চ্যানেল আই অনলাইনকে বলেন, সমিতির কাজ শিল্পীদের সাহায্য করা। যেখানে তার উল্টোটা হয় সেখানে আমার নির্বাচন না করাই ভাল।







