প্রথমে বিশ্বকাপ একাদশে না নেয়ার পর মাইকেল ভনসহ ইংলিশ সাবেকরা কেন অস্থির হয়ে উঠেছিলেন সেটা প্রতি ম্যাচেই একটু একটু বোঝাচ্ছেন জফরা আর্চার। ক্যারিবীয় বংশোদ্ভূত এ পেসারকে দলে নেয়ার মূল যুক্তি ছিল গতি। যে গতি দিয়ে প্রতিপক্ষকে বেসামাল করা শুরু করেছেন তিনি। শনিবার সেটা আরও একবার করলেন আর্চার। সৌম্য সরকারকে আউট করার পথে।
সৌম্যর আউট হওয়া আর্চারের বলটায় কত গতি ছিল? বোলিং স্পিডস্টার বলছে, ১৫৩! এই বিশ্বকাপের এখন পর্যন্ত সর্বোচ্চ। ১৫৩ কিলোমিটার ঘণ্টায়। মাইলের হিসেবে ৯৫।
বাংলাদেশ ইনিংসের চতুর্থ ওভারের দ্বিতীয় বলে বোল্ড হন সৌম্য। দুর্দান্ত গতির সঙ্গে আর্চারের সেই বলে ছিল কিছুটা ইনসুইংও। নড়াচড়ার কোনো সুযোগই পাননি বাংলাদেশ ওপেনার।
সৌম্যর ব্যাট এবং প্যাডের ফাঁক দিয়ে উইকেটের বেল ফেলে বল চলে যায় বাউন্ডারির বাইরে। শুধু বাউন্ডারির বাইরে নয়, এক হিসেবে ছক্কাই হয়েছে সেটা। কারণ, সীমানার বাইরে যাওয়ার আগে স্ট্যাম্পে লাগার পর যে মাঠের ভেতরে কোনো স্পর্শই লাগেনি বলের!
আউট হওয়ার আগে মাত্র দুই রান করতে পেরেছেন সৌম্য। দলীয় ৮ রানের মাথায় সাজঘরে ফেরেন তিনি। শুরুতে উইকেট হারিয়ে রানরেটেও টান পড়ে বাংলাদেশের। পরে ১৯ রান করে তামিম ফিরলে আরও সমস্যায় পড়ে বাংলাদেশ।
অবশ্য টানা তৃতীয় হাফসেঞ্চুরি তুলে দলকে টানছেন সাকিব আল হাসান। তাকে সঙ্গ দিচ্ছেন মুশফিকুর রহিম।
এর আগে প্রথম ব্যাট করে ৬ উইকেটে ৩৮৭ রানের রেডর্ক টার্গেট দাঁড় করা ইংল্যান্ড।








