কক্সবাজারের উপকূলীয় এলাকায় শুটকি তৈরির ধুম পড়েছে। আবহাওয়া শুষ্ক থাকায় শুটকি উৎপাদন যেমন বেশী হচ্ছে তেমনি বেড়েছে রপ্তানিও।
কক্সবাজার উপকূলে বেশ কয়েকটি শুটকি মহাল রয়েছে। এর মধ্যে নাজিরারটেক শুটকি মহালটি সবচেয়ে বড়। একশ’ ২৫ একর জমির ওপর স্থাপিত এ মহালে পাঁচশ’ ৭৫টি খোলা রয়েছে।
শুটকি উৎপাদনকারীরা বলছেন, এখন মাছ কম দামে বিক্রি করছি, ন্যায্য মূল্য পাচ্ছি না। সরকার রাস্তা-ঘাটটা ভালো করে দিলে অনেক সুবিধা হতো।
এই এলাকার শুটকি মহালে কর্মসংস্থান হয়েছে নারীসহ প্রায় ৩০ হাজার শ্রমিকের।
তাদের একজন নারী শ্রমিকরা বলেন, ‘এখানে কাজ করে যে বেতন পাই তা দিয়ে সংসার চালাই।’
ব্যবসায়ীরা জানান, প্রতি মৌসুমে শুধু নাজিরারটেকেই ৫০ থেকে ৬০ হাজার টন বিভিন্ন জাতের শুটকি উৎপাদিত হয়। যার বাজারমূল্য প্রায় দুশ’কোটি টাকা।
একজন শুটকি ব্যবসায়ী বলেন, ‘কীটনাশক ও লবণমুক্ত স্বাস্থ্যসম্মত শুটকি আমরা নিজেরা তৈরি করি। সরকারের সহযোগিতা পেলে আমরা আরো ভালো করতে পারবো।’
শুটকি মহালকে আরো উন্নত করে পর্যটনবান্ধব করা গেলে পর্যটনের আরো একটি দিক উন্মোচিত হবে বলে আশা স্থানীয় জনপ্রতিনিধির।
কক্সবাজার পৌরসভার কাউন্সিলর এস আই আখতার কামাল বলেন, ‘যেহেতু এটি বাংলাদেশের এবং এশিয়ার একটি বড় শুটকি মহল, এটাকে যদি পর্যটক বান্ধব করে উন্নত অবকাঠামতেো উন্নয়ন করা যায় তাহলে কক্সবাজারের পর্যটন শিল্প আরো উন্নত হবে।’
উপকূলীয় অঞ্চলের ছোট-বড় সব শুটকি মহালে এখন ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন জেলে, শ্রমিক ও ব্যবসায়ীরা।






