করোনার নতুন ধরন ওমিক্রন এরই মধ্যে বিশ্বে দ্রুত ছড়িয়ে পড়েছে। এ কারণে মানুষ ঘরে বসেই কোভিড-১৯ পরীক্ষার ক্ষেত্রে র্যাপিড হোম-এন্টিজেন টেস্টে নির্ভরশীল হচ্ছে। তবে বিশেষজ্ঞরা শুধুমাত্র নাকের নমুনা নিয়ে করা এন্টিজেন টেস্টের সঠিক ফলাফল নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।
তারা বলছেন, কোনো ব্যক্তি ওমিক্রন আক্রান্ত কি না জানতে এন্টিজেন টেস্টের ক্ষেত্রে শুধুমাত্র নাকের নমুনা নিয়ে পরীক্ষা করা যথেষ্ট নয়।
গবেষকদের দাবি, ওমিক্রন সংক্রমণের ধরন সবার ক্ষেত্রে এক নয়। কারো কারো ক্ষেত্রে নাকে সংক্রমিত হওয়ার আগে গলা এবং থুথুতে থেকে সংক্রমণ ছড়াতে পারে। তাই শুধু নাকের নমুনা পরীক্ষা করলে ওমিক্রন সংক্রমিত হয়েছে কি না তা বুঝা যাবে না।
সাম্প্রতিক যুক্তরাষ্ট্রে ২৯ জন ওমিক্রন আক্রান্ত ব্যক্তিকে নিয়ে করা একটি গবেষণা দেখা যায়, ওই ব্যক্তিদের থুথু নিয়ে করা পিসিআর টেস্টে তারা ওমিক্রন পজিটিভ আসার ৩ দিন পর নাকের নমুনা নিয়ে করা এন্টিজেন টেস্টেও তাদের রিপোর্ট পজিটিভ আসে।
যার কারণে গবেষকরা এন্টিজেন টেস্টে নাকের নমুনার আগে গলার নমুনা পরীক্ষা করার পরামর্শ দিয়েছেন।
ইসরায়েলের একজন স্বাস্থ্যবিশেষজ্ঞ বলেন, ব্যক্তির নিজে র্যাপিড এন্টিজেন টেস্ট করার সময় অবশ্যই গলা এবং নাক দুটোর নমুনা ব্যবহার করা উচিত।
যুক্তরাজ্যসহ আরও কিছু দেশ র্যাপিড এন্টিজেন টেস্টে গলা এবং নাক দুটোর নমুনা নিয়েই পরীক্ষা করার অনুমতি দিয়েছে।
জার্মানির স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, এ নিয়ে তারা আরও গবেষণা করে দেখবেন র্যাপিড এন্টিজেন টেস্ট ওমিক্রন শনাক্তকরণে কতোটা কার্যকর। এরপর এই পরীক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় সামগ্রী বাজারে ছাড়া হবে।








