বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে পড়েছে করোনাভাইরাসের নতুন ধরন ওমিক্রন। প্রতিনিয়ত আক্রান্ত শনাক্তের নতুন রেকর্ড তৈরি হচ্ছে। এপরিপ্রেক্ষিতে ওমিক্রনের ভয়াবহ বিস্তার রোধে বিভিন্ন দেশে আরোপিত হচ্ছে বিধি নিষেধ।
বার, রেস্তোরা, থিয়েটার ও সিনেমা হলে প্রবশের জন্য টিকা কার্ড দেখানো বাধ্যতামূল করেছে জার্মানি। এর প্রতিবাদে জার্মানির কোলন শহরে বিক্ষোভ করেছে হাজারো মানুষ। বাধ্যতামূলক করোনা টিকার সরকারি প্রস্তাবের বিরোধীতা করেছে তারা।
হাসপাতালে করোনা রোগীর সংখ্যা বাড়ায় বিধিনিষেধ আরোপ করার চিন্তা করছে সুইডেন। রাত ১১ টার মধ্যে রেস্তোরাঁ বন্ধ এবং একসাথে আটজনের বেশি মানুষকে বসতে না দেয়ার কথা ভাবছে কর্তৃপক্ষ। নাগরিকদের বাধ্যতামূলক হোম অফিস করার চিন্তাও করছে সেদেশের সরকার।
প্রতিদিন রেকর্ড সংখ্যক মানুষ করোনা আক্রান্ত হওয়ায় সোমবার থেকে যাত্রীদের জন্য “সুপার গ্রিন পাস” চালু করেছে ইটালির রেলকর্তৃপক্ষ। এছাড়া গণপরিবহনে ভ্রমণের জন্য নির্দিষ্ট মেডিকেল মাস্ক পরার আইন করা হয়েছে।
ভারতের বিভিন্ন রাজ্য কিছু বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে হঠাৎ করে ওমিক্রন সংক্রমন বেড়ে যাওয়াতে।সম্প্রতি বাংলাদেশেও ওমিক্রনরোধে নেয়া হয়েছে ১১ দফা বিধি নিষেধ, যা ১৩ জানুয়ারি থেকে কার্যকর হবে।
ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্ট মোকাবেলায় পরীক্ষামূলক টিকা উৎপাদন করছে ফাইজার। মার্চের মধ্যে পুরোদমে উৎপাদন এবং জুনের মধ্যে তা বিতরণের আশা করছেন প্রতিষ্ঠানের প্রধান নির্বাহী।








