সাগরিকা থেকে মিরপুর। জহুর আহমেদ থেকে হোম অব ক্রিকেট, বন্দরনগরী হয়ে রাজধানী ঢাকা। টাইগার-প্রোটিয়া সিরিজের শেষ পর্যায়ে এসে সব কিছুই পাল্টেছে শুধু মন ভালো হয়নি আকাশের। শ্রাবণের ধারা অব্যাহতই আছে, যেমন ছিলো সিরিজের শুরুতেও।
ঢাকায় প্রথম দুটি ওয়ানডের পর চট্টগ্রামে শেষ ওডিআই এবং দুই টেস্টের প্রথমটি সবগুলোতেই বাধা হয়েছে প্রকৃতি। চট্টগ্রাম পর্ব শেষ করে বৃষ্টি মাথায় নিয়ে দুই দল ঢাকা ফিরে রোববার।
সোমবার ছিলো অনুশীলন। কিন্তু সব কিছু নিয়মমত হয়নি বৃষ্টির কারণে। বিসিবির ক্রিকেট ইনডোরেই নেট প্র্যাকটিস করে বেশি সময় কাটিয়েছেন মুশফিক-সাকিবরা।
এদিন দলীয় অনুশীলনের পরে অফিশিয়াল কোনো প্রেস কনফারেন্সের পরিকল্পনা ছিলো না টাইগার দলের। তবে কেউ একজন দলের মুখপাত্র হয়ে জানাবেন শেষ টেস্টে বাংলাদেশ দলের চিন্তা ভাবনা- এমনটা ধনে নেওয়া হয়েছিলো। সে কাজটা করতে আসলেন ইমরুল কায়েস।
বাইরে বৃষ্টির কারণে আনঅফিশিয়াল প্রেস কনফারেন্সটিই হলো ‘অফিশিয়াল প্রেস কনফারেন্স’ রুমে। মাঠে ঠিকঠাক পারফরমেন্স করলে আত্মবিশ্বাস দ্বিগুণ হয় ক্রিকেটারদের। ওপেনার ইমরুল কায়েসও তেমন একজন।
টেস্টের এক নম্বর দলের বিপক্ষে আধিপত্য চালিয়ে যাওয়ার আশা দিয়ে ইমরুল বলেন, বাড়তি কিছু করতে চাই না আমরা। শুধু নিজেদের স্বাভাবিক ক্রিকেটটা খেলে যেতে পারলেই হবে। আবহাওয়া, উইকেট এসব নিয়ে ভাবছে না দলের কেউই। সবাই নিজের খেলাটা খেলতে প্রস্তুত হচ্ছে।
নতুন ও পুরনোদের মধ্যে পারফরম করার প্রতিযোগিতা আছে কি না এমন প্রশ্নে কায়েস বলেন, দলে যেহেতু এখন প্রতিযোগিতা বেড়েছে তাই পারফর্মারও বেড়েছে। সবাই চায় পারফরম্যান্স করেই দলে টিকে থাকতে। এটাকে আমি ব্যাক্তিগত ভাবে খুব পছন্দ করছি। এতে সবচে বেশি উপকৃত হচ্ছে বাংলাদেশ দল।
বাংলাদেশের ইমরুল কায়েসের মতো সাউথ আফ্রিকার পক্ষেও কথা বলতে আসলেন তাদের ওপেনার। কায়েসের সঙ্গে অনেক বিষয়েই মিল রয়েছে তার। বয়সও সমান, ২৮। তারও টেস্ট সেঞ্চুরি ৩টা, ফিফটি ৩টা। ব্যাটও করেন বাঁ-হাতে। ডিন এলগার কথাও বললেন ইমরুল কায়েসের মতো। মাঠে নিজেদের ক্রিকেটটা খেলতে চায় প্রোটিয়া দল। চট্টগ্রামে দুই ইনিংসেই ভালো ব্যাট করে আত্মবিশ্বাস লেভেলটা হাই তার।
এলগার বলেন, আমরা এক নম্বর তাই সব টেস্টেই জেতার তাগিদ থাকে। এ ম্যাচও ব্যাতিক্রম নয়। প্রথম টেস্টের ফলাফল না হওয়ায় শেষ টায় কিছু করতে হবে এটা দলের সবাই জানে। দুই ওপেনারের প্রেস কনফারেন্সে আরেকটা বিষয়ও দারুণ মিল ছিলো, দু’জনকেই কথা বলতে হয়েছে বৃষ্টি নিয়ে।






