সিরিয়ার প্রাচীণ পালমিরা এলাকা জুড়ে ভূমি মাইন এবং বিস্ফোরক স্থাপন করেছে ইসলামিক স্টেটের (আইএস) জঙ্গিরা। সিরিয়ার যুদ্ধ পর্যবেক্ষণ করা যুক্তরাজ্যভিত্তিক সংগঠন সিরিয়ান অবজারভেটরি ফর হিউম্যান রাইটস এমন তথ্য জানিয়েছে। সিরিয়ার অভ্যন্তরের একটি তথ্য সূত্র থেকে সংগঠনটি বিভিন্ন তথ্য পেয়ে থাকে।
ওই সংগঠনের কর্মীরা বলেছেন, আইএস জঙ্গিরা ঐতিহাসিক পালমিরাকে ধ্বংস করার জন্য না এলাকাটি সিরিয়ান সরকারি বাহিনী থেকে নিরাপদ করার জন্য এমনটি করেছে সে বিষয়ে তারা নিশ্চিত নয়।
এদিকে রোববার সিরিয়ার আলেপ্পো, ইদলিব, ও হাদাইয়া প্রদেশসহ বিভিন্ন অঞ্চলে সহিংসতায় কমপক্ষে ৪২ জন নিহত এবং আহত হয়েছে আরো অনেকে। নিহতদের মধ্যে ২০ জন ইসলামিক স্টেট বা আইএসের সদস্যও রয়েছে বলে জানিয়েছে মানবাধিকার সংগঠন দ্য সিরিয়ান অবজারভেটরি ফর হিউম্যান রাইটস।
আইএস জঙ্গিরা ২ হাজার বছর পুরোনো রোমান যুগের পুরাকীর্তি পালমিরাকে ধ্বংস করে দিতে পারে বলে আশঙ্কা রয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যের অন্যতম সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক শহরটি গত মে মাসে আইএস যোদ্ধারা দখল করে।
সরকারি বাহিনীর প্রকাশিত প্রতিবেদনে স্থানটি পুনর্দখলের জন্য তাদের পরিকল্পনার কথা জানা যায়। সরকারি বাহিনী গত তিন দিনে পালমিরার আবাসিক এলাকায় বিমান হামলা চালায়। এতে করে কমপক্ষে ১১ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানা যায়।
যুক্তরাজ্যভিত্তিক সিরিয়ান অবজারভেটরি ফর হিউম্যান রাইটস এর পরিচালক রামি আবদেল রাহমান জানিয়েছেন, সাম্প্রতিক সময়ে শহরের বাইরের সিরিয়ান সৈন্যরা তাদের শক্তি বৃদ্ধি করছে। এতে করে তাদের একটি অভিযানের পরিকল্পনা রয়েছে মনে হয়।
আইএস যোদ্ধারা ইতিমধ্যেই ইরাকের কয়েকটি প্রাচীণ স্থান ধ্বংস করেছে। যারমধ্যে সবর্শেষ তারা ধ্বংস করে ইরাকের অন্যতম প্রধান প্রত্নতাত্ত্বিক সম্পদ প্রাচীণ নিমরুদ শহর।
তবে এখন পর্যন্ত আইএস জঙ্গিরা স্থানীয়ভাবে তাদমুর নামে পরিচিত পালমিরার ধ্বংসাবশেষ বা পুরাকীর্তির ক্ষতি করেছে বলে কোন তথ্য জানা যায়নি।







