সাকিবের সঙ্গে তার বাকযুদ্ধের ইতিহাস বেশি পুরনো নয়। শুধু সাকিব নয়, বেন স্টোকস যেখানেই খেলতে যান কিছু না কিছু ঝামেলা পাকান। কিন্তু স্টোকসের চরিত্র যে আসলেই এমন, তা ব্রিটিশ গণমাধ্যমের ভাবনাতেও ছিল না। মদ খেয়ে নাইট-ক্লাবের বাইরে মারামারির ভিডিও ফুটেজ প্রকাশিত হওয়া পর স্টোকসের আসল চরিত্র নিয়ে ইংল্যান্ড জুড়ে ‘ছি-ছি রব’ উঠেছে।
যুক্তরাজ্য ভিত্তিক গণমাধ্যম দ্য সানের প্রকাশ করা ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, রাতের রাস্তায় দুই ব্যক্তির সঙ্গে স্টোকস রীতিমতো মারামারি করছেন। ঘুষি মারতে মারতে একজনকে রাস্তায় ফেলে দিচ্ছেন।
ওই রাতেই স্টোকসকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরে সকালে মুচলেকা দিয়ে ছাড়া পান। এরপর ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে শেষ দুই ওডিআই ম্যাচের দল থেকে বাদ পড়েন।

অবাক করার বিষয় হলো স্টোকস মিথ্যা কথা বলায়ও পটু। ন্যঙ্করজনক ওই ঘটনার জন্য ক্ষমা তো চানইনি বরং গণমাধ্যমে নিজেকে নির্দোষ দাবি করে বলেন, ‘আমি কাউকে ঘুষি মারিনি!’
স্টোকসকে ছাড়ার দিন পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয়, তদন্ত চলাকালীন তাকে যেন জাতীয় দলের জন্য বিবেচনা না করা হয়।

তদন্ত শুরু করে পুলিশ বিপাকে পড়ে। কোনও সাক্ষী পাওয়া যাচ্ছিল না। পরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিবৃতি দিয়ে সাধারণ মানুষের দৃষ্টি আকর্ষণ করার চেষ্টা করে পুলিশ। বিবৃতিতে বলা হয়, ২৬ সেপ্টেম্বর রাত আড়াইটার দিকে কেউ যদি ব্রিস্টলের কুইন্স রোডে কোনও লোককে আহত হতে দেখে থাকেন, তাহলে বিস্তারিত জানানোর অনুরোধ করা হচ্ছে।
ডেইলি মেইল বলছে, ওই বিবৃতির পর পুলিশের হাতে মারামারির ভিডিও আসে।

ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে শেষ দুই ওয়ানডেতে না থাকলেও অ্যাশেজ সিরিজের দলে ঠিকই জায়গা পেয়েছেন ইংলিশ সহঅধিনায়ক স্টোকস। ডেইলিমেইল বলছে, ভিডিও প্রকাশিত হওয়ার পর জাতীয় দলে স্টোকসের ভাগ্য হুমকির মুখে পড়ে গেল।







