পদত্যাগের দেড় মাস পর বিসিবি কার্যালয়ে এলেন বাংলাদেশের সাবেক কোচ রিচার্ড হ্যালসল। ঝড়-বৃষ্টি মাথায় নিয়ে ফিরে যাওয়ার সময় জানালেন, এসেছেন বিসিবিকে ধন্যবাদ জানাতে।
বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের সঙ্গে সাড়ে তিন বছর কাজ করেছেন হ্যালসল। ফিল্ডিং কোচ হিসেবে শুরু করা এই জিম্বাবুইয়ান পরে হন হেড কোচ চন্ডিকা হাথুরুসিংহের সহকারী। এ সময়টায় বাংলাদেশ দলকে নিয়ে গেছেন সাফল্যের রাজপথে। পেশাদার কোচ হলেও দীর্ঘদিনের কর্মস্থল ছেড়ে যাওয়া যে সহজ কাজ নয় সে চিত্র ফুটে উঠল চোখেমুখে। খুব বিমর্ষ দেখাল তাকে।

‘এসেছি ধন্যবাদ জানাতে,’ সোমবার সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে হ্যালসল বলেন, ‘প্রধান নির্বাহীর সঙ্গে কথা হয়েছে, বোর্ডের অন্যদেরও ধন্যবাদ জানালাম এখানকার সময়টুকুর জন্য। আমি যে কাজটি করতে ভালোবাসি, সেই কাজ করতে তারা আমাকে সাহায্য করেছেন।’
গত মাসের মাঝামাঝি সময়ে বাবার অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে বিসিবির কাছে পদত্যাগপত্র পাঠান হ্যালসল। বিসিবিও তা গ্রহণ করে। তবে গুঞ্জন আছে দলের মাঝে কিছু একটা ঝামেলা পাকিয়েছিলেন তিনি। যে কারণে বিসিবি তাকে চায়নি রাখতে। তবে হ্যালসল জোর দিয়েই বললেন চলে যাওয়ার কারণ পারিবারিক।
‘কারণ পুরোপুরিই পারিবারিক। আন্তর্জাতিক ক্রিকেট অনেক সময় কেড়ে নেয়। পরিবার থেকে দূরে থাকতে হয়। এটিই কারণ।’
‘আমি সবসময় চেষ্টা করেছি বাংলাদেশ দলকে সেরাটা দিতে। সিনিয়র ক্রিকেটারদের কারও সঙ্গে আমি কোনো সমস্যা দেখিনি। এসব নিয়ে কিছু জানা নেই আমার,’ বলেন হ্যালসল।
কোচ হিসেবে সুনাম আছে হ্যালসলের। চাকরি পেতে তাই সময় লাগেনি। ইংলিশ কাউন্টি দল সাসেক্সের একাডেমি পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছেন ৪৯ বছর বয়সী এই কোচ। কোচিং ক্যারিয়ারের লম্বা একটা সময় সাসেক্সে কাটিয়েছেন। আগামী ১ মে থেকে কাজ শুরু করবেন সেখানে।








