এশিয়া কাপ টুর্নামেন্টের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো টি-২০ ফরম্যাটে অনুষ্ঠি হচ্ছে। ফাইনালের আগ পর্যন্ত মোট ১০টি ম্যাচটি হয়েছে। প্রত্যেকে ম্যাচে এক বা একাধিক খেলোয়াড় নিজের দল জিতিয়ে নায়ক হয়েছেন। তবে টুর্নামেন্টের এ পর্যন্ত খেলোয়াড়দের ছাপিয়ে আসল নায়ক মিরপুর শের-ই- বাংলা স্টেডিয়ামের পিচ।
ঐতিহ্যগতভাবেই মিরপুরের পিচ সব সময়ই স্পোটিং পিচ। এখানে বোলার ব্যাটসম্যান উভয়েরই ভালো করার সুযোগ থাকে। এর মধ্যে আবার ব্যাটসম্যানদের জন্য একটু হলেও বেশি সুযোগ ছিল।
তবে সর্বশেষ অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপের ফাইনাল থেকে সবুজ পিচই দেখা গেছে। ঘাসে ঢাকা উইকেটে ওয়েস্ট ইন্ডিজ যুবাদের পেস আক্রমণের সামনে খাবি খেতে দেখা দেখা গিয়েছিল ভারতীয় যুবাদের ব্যাটিং লাইনআপকে। যেটা প্রায় পুরো এশিয়া কাপেও দেখা যাচ্ছে।
টি-২০তে মিরপুরের এর আগে রানের খেলাই দেখা গেছে। চলতি আসরের ১০টি ম্যাচের আগে এই মাঠে অনুষ্ঠিত ২৭টি টি-২০ ম্যাচের ১১টিতেই ১৭৫’র বেশি রান হয়েছে। ১০টি ম্যাচে দেড়শ’র বেশি রান হয়েছে। এই মাঠে টি-২০তে সর্বোচ্চ রান উঠেছে ২০৪। ২০১৩ সালে স্বাগতিক বাংলাদেশের বিপক্ষেই ওই রান করেছিল নিউজিল্যান্ড।
এতো রানের উইকেটে এবার এশিয়া কাপের প্রথম ১০ ম্যাচে দেড়শ’র বেশি রান হয়েছে মাত্র দুটি ম্যাচে। প্রথম ম্যাচে বাংলাদেশের বিপক্ষে ভারত করেছিল ১৬৬ রান। আর গ্রুপপর্বের শেষ ম্যাচে পাকিস্তানের বিপক্ষে ১৫১ রান করে শ্রীলঙ্কা।
মিরপুরে আগে ওভার প্রতি সর্বোচ্চ রান রেট ছিল ১০ দশমিক ১০। এবার ওভার প্রতি সর্বোচ্চ রান রেট উঠেছে ৮ দশমিক ৩০। প্রতিটি ম্যাচের প্রথম পাঁচ ওভারে একাধিক উইকেট হারিয়েছে প্রায় প্রতিটি দলই। যা এর আগে দেখা যায়নি।
টি-২০তে মিরপুরে ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ ইনিংসটা পাকিস্তানের আহমেদ শেহজাদের। বাংলাদেশের বিপক্ষেই অপরাজিত ১১১ রান করেছিলেন পাকিস্তানি ওপেনার। এবার সর্বোচ্চ ৮০ রান করেছেন বাংলাদেশের সাব্বির রহমান।
মিরপুরে ওয়ানডেতে সবচেয়ে বেশি উইকেট পেয়েছেন বাংলাদেশের পেসার আল-আমিন হোসেন। ৮ ম্যাচে ১৪ উইকেট পেয়েছেন ডান হাঁতি এ পেসার। পেসারদের দাপটে চলতি টি২০ আসরে এখন পর্যন্ত ১০ উইকেট নিয়ে শীর্ষে আল-আমিন।






