জুলাই গণঅভ্যুত্থানে নেতৃত্ব দেওয়া ছাত্রদের রাজনৈতিক দল ‘জাতীয় নাগরিক পার্টি’র (এনসিপি) আত্মপ্রকাশ ঘটেছে শুক্রবার। এই দলে ১৫১ সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে। এনসিপি’র নতুন কমিটি ঘিরেই তৈরি হয়েছে বিতর্ক। আর এ বিতর্কটা নতুন কমিটিতে জায়গা পাওয়া মুনতাসির মামুনকে ঘিরে।
মুনতাসির মামুনের বিরুদ্ধে অভিযোগ: তিনি পশ্চিমা এলজিবিটিকিউ সম্প্রদায় যেমন গে, লেসবিয়ান বা সমকামী এজেন্ডা বাস্তবায়নে রাজনৈতিকভাবে কাজ করবেন। এমন সন্দেহে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে রীতিমতো তোলপাড় চলছে।
এমন পরিস্থিতিতে নিজেদের ভুল স্বীকার করে নতুন রাজনৈতিক দলের অবস্থান পরিষ্কার করেছেন দক্ষিণাঞ্চল ও উত্তরাঞ্চলের দুই মুখ্য সংগঠক হাসনাত আব্দুল্লাহ ও সারজিস আলম।
হাসনাত আব্দুল্লাহ তার ফেসবুক পোস্টে লিখেছেন: রাজনীতির আগেও আমার পরিচয়, আমি একজন মুসলমান। আমি আমার এই পরিচয় ধারণ করি, সবসময় করেই যাবো।
‘‘আমার বিশ্বাসকে কিংবা আমার দেশের মানুষের বিশ্বাসকে আঘাত করে কোনো রাজনীতি আমি কখনও করবো না। স্পষ্ট কণ্ঠে জানিয়ে দিতে চাই, ধর্মীয় মূল্যবোধের পরিপন্থি কিছুই আমার বা আমাদের রাজনীতিতে কখনও জায়গা পাবে না।’’
‘‘যা হয়েছে, সেটা ছিলো একটি অনিচ্ছাকৃত ভুল। আমরা নির্ভুল নই। কোনো ভুল করলে আপনারা আমাদের নিজের ভাই মনে করে ভুল ধরিয়ে দেবেন, এবং ‘যদি’, ‘কিন্তু’, ‘অথবা’ ব্যতীত আমরা আমাদের ভুল সংশোধন করে নিবো।’’
সারজিস আলম একই প্রসঙ্গে জানিয়েছেন:রাজনীতির আগেও আমার পরিচয়- আমি একজন মুসলমান। আমি আমার এই পরিচয় ধারণ করি, সবসময় করেই যাবো।
‘‘আমার বিশ্বাসকে কিংবা আমার দেশের মানুষের বিশ্বাসকে আঘাত করে কোনো রাজনীতি আমি কখনও করবো না। স্পষ্ট কণ্ঠে জানিয়ে দিতে চাই, ধর্মীয় মূল্যবোধের পরিপন্থী কিছুই আমার বা আমাদের রাজনীতিতে কখনও জায়গা পাবে না।’’
‘‘যা হয়েছে, সেটা ছিলো একটি অনিচ্ছাকৃত ভুল। আমরা নির্ভুল নই। কোনো ভুল করলে আপনারা আমাদের নিজের ভাই মনে করে ভুল ধরিয়ে দেবেন এবং কোনো প্রকার ‘যদি’, ‘কিন্তু’, ‘অথবা’ ব্যতীত আমরা আমাদের ভুল সংশোধন করে নিবো।’’
‘‘এই সংশোধন করার মানসিকতা আমাদের সবসময় ছিলো, আছে, থাকবে ইনশাআল্লাহ।’’
বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের আরেক নেতা জড়িত মাহিন সরকার ফেসবুক পোস্টে লিখেছেন: মুনতাসির ভাই আমাদের সেফ হোমের ব্যবস্থা করে দিয়েছিলেন, কিন্তু উনার এমন কর্মকাণ্ড সম্পর্কে অবগত নই। আল্লাহর কসম! বঙ্গদেশে আমরা সমকামিতাকে চাই না।








