গাইবান্ধার এমপি মঞ্জুরুল ইসলাম লিটন হত্যার পেছনে গণমাধ্যমে চরিত্র হননকেও দায়ী করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
বুধবার সন্ধ্যায় গণভবনে আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদ এবং কার্যনির্বাহী সংসদের যৌথ সভায় তিনি বলেন, শিশুর গুলিবিদ্ধ হওয়ার ঘটনায় ভুল খবরের জন্য এমপি লিটনের আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স বাতিল করা হয়েছিল। এ কারণে খুনিরা তাকে হত্যার সুযোগ পেয়েছে।
গত শনিবার সন্ধ্যায় মঞ্জুরুল ইসলাম লিটন নিজ বাড়িতে দুর্বৃত্তের গুলিতে গুরুতর আহত হন। পরে তাকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
পুলিশ জানিয়েছে, ছোট অস্ত্র দিয়ে খুব কাছে থেকে গুলি করা হয় লিটনকে।
ঘটনার পর সন্দেহভাজন ১৮ জনকে আটক করে পুলিশ। এরপর লিটনের বোন তাহমিদা বুলবুল বাদি হয়ে অজ্ঞাত ৫ ব্যক্তির বিরুদ্ধে মামলা করেন।
তিন বছর আগে এমপি লিটনকে জামায়াত-শিবির হত্যার চেষ্টা করেছিল বলে দাবি করেছেন স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতারা। তবে দলীয় কোন্দলের কারণে গত কয়েকদিন ধরেই লিটনের বাসায় নেতাকর্মীদের যাতায়াত কমে গিয়েছিল।








