এই রোদ। এই আবার আকাশে কালো মেঘের ভেলা। কিছুক্ষণ পরেই এক পশলা বৃষ্টি। আবার কখনো তীব্র গরম। তারপর যেন আকাশ ভেঙ্গে তীব্র বৃষ্টি। আষাঢ়ের তৃতীয় সপ্তাহের এমন আবহাওয়া স্বস্তি বা অস্বস্তির যাইহোক না কেন, এমন মেঘ-বৃষ্টি-রোদের খেলা চলবে আরও কয়েকদিন।
অবশ্য ভারী বৃষ্টিপাতের আশঙ্কা নেই বলেও জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর ।
আবহাওয়াবিদ নিঝুম রোকেয়া বৃহস্পতিবার সকালে চ্যানেল আই অনলাইনকে বলেন: মৌসুমি বায়ু বাংলাদেশে সক্রিয় থাকায় এবং বর্ষাকাল হওয়ায় বৃষ্টিপাত হচ্ছে। তবে এ বছর বর্ষায় সম্ভাবনা নেই অতি বৃষ্টির।
‘বর্ষাকালের যে স্বাভাবিক বৃষ্টি তেমনটাই অব্যাহত থাকবে সারাদেশে। তবে দেশের কোথাও কোথাও ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।’
এই বৃষ্টিপাতকে স্বাভাবিক উল্লেখ করে অারেক আবাহাওয়াবিদ মো: আবুল কামাল মন্ডল বলেন: ‘এই বৃষ্টির শুরুটা হয়েছে মার্চ মাস থেকে। তবে এখন পর্যন্ত যে পরিমাণ বৃষ্টিপাত হয়েছে তা স্বাভাবিক। এ বছর পুরো বর্ষাকাল জুড়েই থাকবে স্বাভাবিক বৃষ্টি।’
গতকাল বুধবার সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয় কক্সবাজারে ১৩১ মিলিমিটার। সর্বনিম্ন বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে ১ মিলিমিটার। রাজধানী ঢাকায় এ বৃষ্টিপাতের পরিমাণ ছিল ৪৫ মিলিমিটার।
আবহাওয়ার পূর্বাভাসে জানা গেছে মৌসুমী বায়ুর অক্ষ রাজস্থান, উত্তর প্রদেশ, বিহার, হিমালয়ের-পাদদেশীয় পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চল হয়ে আসাম পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। এর একটি বর্ধিতাংশ উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে।
মৌসুমী বায়ু বাংলাদেশের উপর সক্রিয় এবং উত্তর বঙ্গোপসাগরে মাঝারী থেকে প্রবল অবস্থায় বিরাজমান রয়েছে।
আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, রংপুর, ঢাকা, ময়মনসিংহ, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অধিকাংশ জায়গায় এবং রাজশাহী বিভাগের অনেক জায়গায় অস্থায়ী দমকা হাওয়া ও বিজলী চমকানোসহ হালকা থেকে মাঝারী ধরনের বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেইসাথে দেশের কোথাও কোথাও মাঝারী ধরনের ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণ হতে পারে।
সারাদেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।







