প্রথম দিনের খেলা শেষে সংবাদ সম্মেলনে এসে উইকেট নিয়ে সন্তুষ্টির কথা বলেছেন শ্রীলঙ্কার ব্যাটিং কোচ থিলান সামারাবীরা। দ্বিতীয় দিনের শেষে দলটির সেরা পারফর্মার রোশেন সিলভাও বিস্ময় প্রকাশ করে গেলেন পছন্দের উইকেট পাওয়ায়। সিরিজ নির্ধারণী ম্যাচে মাঠে-বাইরে সর্বত্রই লঙ্কানরা বুঝিয়ে দিচ্ছেন, স্পিন আক্রমণ ও মোকাবেলায় শক্তিশালী একটি দলের বিপক্ষে এমন উইকেট বানানো কতটা বুমেরাং হয়েছে বাংলাদেশের জন্য।
‘উপমহাদেশে যখন অস্ট্রেলিয়া বা অন্যকোন দল সফরে করতে আসে, তখন আমরা তাদের জন্য এ ধরনের উইকেট বানাই। কিন্তু আমাদের স্পিন আক্রমণ ভাল। আমি জানি না কেন তারা এমন উইকেট আমাদের দিলো!’
মিরপুরের উইকেটে স্পিনাররা লম্বা টার্ন পাচ্ছেন, পেসাররাও পাচ্ছেন সুইং। ব্যাটসম্যানদের চ্যালেঞ্জের ভূমিতে দুই ইনিংসেই ফিফটি করে নজর কেড়েছেন রোশেন। প্রথম ইনিংসে ৫৬-এর পর দ্বিতীয় ইনিংসে ৫৮ রানে অপরাজিত থাকা এ ব্যাটসম্যান রান পেলেও উইকেট নিয়ে খানিকটা অনুযোগ জানালেন।
‘আমরা দেশের মাটিতে এমন উইকেটে খেলি। তাই স্বাভাবিক খেলাটাই খেলে যেতে চেয়েছি। বলছি না এটা ভাল উইকেট, কিন্তু আমরা জানতাম এখানে অনেক মিলবে। ভাগ্য ভাল যে মোস্তাফিজের শুরুর কয়েকটি বলে টিকে থাকতে পেরেছি। নিশ্চয়ই দেখেছেন উইকেট তখন কতটা বাজে আচরণ করেছে, আমি ভাবিনি এমনটা হবে।’
দ্বিতীয় দিনের শেষ বিকেলে নিচু হয়ে এসেছে স্পিনারদের বল। শুরুর দিনের সকাল থেকেই টান-বাউন্স-সুইং মেলা উইকেটে ঢাকা টেস্ট চতুর্থ দিনে যাবে কিনা সেটি নিয়েই দেখা দিয়েছে শঙ্কা। ২ উইকেট হাতে রেখে শ্রীলঙ্কার লিড এখনই ৩১২। রোশেন মনে করছেন জয়ের জন্য যথেষ্ট রান পেয়ে গেছে শ্রীলঙ্কা।
‘আমি মনে করিনা ৩০০ রানের বেশি তাড়া করে এ উইকেটে জেতা সম্ভব। আমার সাধারণ জ্ঞান এটাই বলে। তারপরও ক্রিকেট তো অনিশ্চয়তার খেলা। তাদের ১১০ রানে থামিয়েছি প্রথম ইনিংসে এবং আমরা ৩০০ রানে লিডই নিতে চেয়েছিলাম। সে চ্যালেঞ্জ অতিক্রম করে এসেছি। কাল সকালে যতদূর সম্ভব যাওয়ার চেষ্টাই করবো। জয়ের জন্য পর্যাপ্ত রান এসে গেছে। বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানরাও জানে এমন উইকেটে এটা করা সহজ নয়। আমাদের স্পিন আক্রমণও বেশ অভিজ্ঞ।’









