ততক্ষণে ম্যাচ জমিয়ে তুলেছেন টাইগার বোলাররা। ক্রিজে থাকা শ্রীলঙ্কান দুই ব্যাটসম্যান কোনভাবে উইকেট আগলে থাকার চেষ্টা করছেন। আঁটসাঁট বোলিংয়ে নাভিশ্বাস অবস্থা তাদের! অন্যদিকে আর একটা উইকেট হলেই লঙ্কান ব্যাটিংয়ের লেজের দেখা পাওয়া যাবে। সেসময়ই কিনা নিশ্চিত একটা আউটে ‘না’ বলে দিলেন আলিম দার!
ওভারটা ছিল সাকিবের। ইনিংসের ৭৮তম। স্ট্রাইকে দিলরুয়ান পেরেরা। সাকিব বলটা জোরের ওপরই করলেন। ডানহাতি পেরেরা ব্যাটই ছোঁয়াতে পারলেন না। লেগ-মিডলে পড়ে বল সোজা তার প্যাডে। সাকিব সবটুকু জোর দিয়ে চিৎকার করে আবেদন জানালেন। কিন্তু আম্পায়ার আলিম দার অনড়। মাথা এপাশ-ওপাশ করে জানান দিলেন, ‘তোমার সঙ্গে আমি একমত নই সাকিব!’
সাকিব তখনো আপিল করে যাচ্ছেন। ক্রিজে গোড়ালির ওপর বসে দুহাত আম্পায়ারের দিকে তাক করে আকুল আবেদনের ভঙ্গিতে। সঙ্গী অন্য ফিল্ডাররাও। আলিম দার শেষ পর্যন্ত তাকে হতাশই করলেন। সাকিব সিদ্ধান্তটা মেনে নিতে চাইছিলেন না, কিছুটা অসন্তোষও প্রকাশ করলেন। আবার কিছু করারও ছিল না। ততক্ষণে যে নিজেদের কোটার দুটি রিভিউ ব্যবহার করে ফেলেছে বাংলাদেশ।

পরে টিভি রিপ্লেতে দেখা গেল নিশ্চিত আউট ছিলেন পেরেরা। বল তার প্যাডে না লাগলে স্টাম্প এলোমেলো করে দিত।
ওই ওভারের পর দুটি ওভার হাত ঘুরিয়েই নতুন বল নিয়েছেন মুশফিক। সঙ্গে জুটেছে দুটি রিভিউও। কিন্তু সুযোগটি হাতছাড়া হয়ে গেছে। তবে ২৫ রানের সেই জুটিটি আর বেশিদূর এগোয়নি। জুটিকে ২৭ রানে থামিয়েছেন সেই সাকিবই। সেটা সেঞ্চুরিয়ান দিমুথ করুনারত্নেকে আউট করে।








