চিত্রনায়ক ও পরিচালক বাপ্পারাজকে চলচ্চিত্র পরিচালক সমিতি থেকে দুঃখপ্রকাশ করার জন্য সাত দিনের সময় দিয়ে নোটিশ পাঠানো হয়। অন্যথায় তার সদস্যপদ বাতিল করা হবে। এখানে আরও উল্লেখ করা হয়, একটি জাতীয় দৈনিক পত্রিকায় দেওয়া সাক্ষাৎকারে বাপ্পারাজ পরিচালক সমিতিকে হেয় প্রতিপন্ন করেছেন। গত রোববার সমিতির মহাসচিব বদিউল আলমের স্বাক্ষর করা এই চিঠি বাপ্পারাজের গুলশানের বাসায় পাঠানো হয়। জানা গেছে, চিঠিটি গ্রহণ করেননি বাপ্পারাজ। উল্টো এই চিঠিতেই তিনি পরিচালক সমিতিকে তাদের এমন কর্মকাণ্ডের জন্য সতর্ক করেছেন। তিনি লিখেছেন, ‘এখনই আমার সদস্যপদ বাতিল করুন। আর সদস্য হওয়ার সময় আমি যে ৫০,০০০ টাকা জমা দিয়েছিলাম, তা এখনই আমাকে ফেরৎ দেওয়া হউক।’
গত এপ্রিল মাসে ‘কালের কণ্ঠ’ পত্রিকায় দেওয়া সাক্ষাৎকারে বাপ্পারাজ বলেন, ‘যদি ফিল্মের উন্নয়ন হয় কারও দ্বারা, সেটা পরিচালক সমিতির দ্বারা সম্ভব। পরিচালক সমিতির হাতে অনেক ক্ষমতা ও সুযোগ রয়েছে। বাংলা চলচ্চিত্রকে চাইলে তারা অনেক দূর নিয়ে যেতে পারে। বুস্টিং, প্রমোটিং এগুলো সম্পূর্ণ তাদের এখতিয়ারে রয়েছে। অথচ তারা কোনো কাজ না করে একজন আরেকজনের পেছনে লাগছে। তারা কোনো কাজের কাজ করছে না।’
আজ মঙ্গলবার সন্ধ্যায় চ্যানেল আই অনলাইনকে বাপ্পারাজ বলেন, ‘আমি তখন যেভাবে বলেছিলাম, পত্রিকাটি সেভাবে লিখেনি। আমি যা বলিনি, তা এখানে লেখা হয়েছে। আর এই কথাগুলো অনেক আগেই আমি সমিতির লোকজনকেও বলেছি। তখন তারা আমাকে কিছুই বলেননি। এতদিন পর তারা আমাকে নোটিশ পাঠিয়েছেন।’
চলচ্চিত্র পরিচালক সমিতি থেকে সদস্যপদ প্রত্যাহার করলে ভবিষ্যতে তিনি কীভাবে চলচ্চিত্র পরিচালনা করবেন? এ ব্যাপারে বাপ্পারাজ বলেন, ‘আমি ঈদের পর নতুন ছবি তৈরির কাজে হাত দিচ্ছি। আমি এই সমিতিকে দেখিয়ে দিতে চাই, সমিতির সদস্য না হয়েও চলচ্চিত্র তৈরি করা যায়।’
বাপ্পারাজ আরও বলেন, ‘পরিচালক সমিতি নিয়ে যা বলেছি, তা নিয়ে দুঃখ প্রকাশ করার কোনো প্রশ্নই আসে না।’








