প্রযুক্তির চরম উৎকর্ষের এই সময়ে যেন আদিম যুগে বাস করছে ঠাকুরগাঁওয়ের ক্ষুদ্র নৃতাত্ত্বিক জাতিগোষ্ঠীর মানুষ। এখনো বন্যপ্রাণী শিকার করে জীবনধারণ করছে তারা। এতে হারিয়ে যাচ্ছে জীববৈচিত্র্য, প্রভাব পড়ছে পরিবেশের উপর। আদিবাসী নেতারা বলছেন, বন্যপ্রাণী শিকার বন্ধ করতে হলে বিকল্প কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে হবে।
ঠাকুরগাঁওয়ে সাঁওতাল, ওঁরাও, মুন্ডা, পাহান ও মসহুর নৃ-গোষ্ঠীর প্রায় ৩৫ হাজার মানুষের বাস। গুটি কয়েক পরিবারের ছেলেমেয়েরা পড়ালেখা শিখে পরিবর্তনে মিশে গেলেও সিংহভাগই পিছিয়ে পড়াদের দলে। ভোর হলেই বেরিয়ে পড়ে তীর ধনুকসহ শিকারের উপকরণ নিয়ে। বনজঙ্গল আর ক্ষেতখামারে ঘুরে শিকার করছে বনবিড়াল, খরগোশ, বেজিসহ নানা প্রজাতির পশুপাখি।
জীবিকার তাগিদে এরা রাতের বেলাও ফাঁদ পাতছে বন্যপ্রাণী ধরতে। পিছিয়ে পড়া এসব গোষ্ঠীর মানুষের জীবনমান উন্নয়নে সরকারকে এগিয়ে আসার কথা বলছেন তাদের নেতারা।
বন্যপ্রাণী শিকার বন্ধে সচেতনতা বাড়াতে সকলের সহযোগিতা চেয়েছেন স্থানীয় বন কর্মকর্তা।
জীবন মান উন্নয়নে বৃহৎ পরিসরে বিশেষ কর্মসূচি নেয়ার তাগিদ দিচ্ছেন এসব ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর নেতারা।
আরও দেখুন ভিডিও রিপোর্টে:








