শক্তিশালী নিরাপত্তা ব্যবস্থার কারণে গ্রাহকদের মাঝে জনপ্রিয়তা পাওয়া ব্ল্যাকবেরি অ্যান্ড্রয়েড ফোনের দাপটে বাজারে যখন ধরাশায়ী অবস্থার মধ্য দিয়ে যাচ্ছিলো, তখন নতুন পরিকল্পনা নিয়ে বাজারে হাজির হয় কানাডীয় এ ব্র্যান্ডটি। এর অংশ হিসেবে মোবাইল ফোন উৎপাদন বন্ধ করে স্মার্টফোনের জন্য বিভিন্ন সফটওয়্যার তৈরিতে মনোযোগী হয় প্রতিষ্ঠানটি। ব্ল্যাকবেরি ব্র্যান্ড নাম ব্যবহার করে ফোন বাজারে আনার দায়িত্ব পায় চীনের টিসিএল।
অন্যদিকে বাংলাদেশ থেকে ব্ল্যাকবেরি বিদায় নেয় ২০১৪ সালে। রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তার কারণে সেবাটি বন্ধ করে দিয়েছিল বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)। গ্রাহক কমতে থাকায় শর্ত মেনে দেশে কোনো সার্ভার স্থাপন না করায় এ সিদ্ধান্ত নিয়েছিল নিয়ন্ত্রক সংস্থাটি।
তবে ব্ল্যাকবেরি ওএস থেকে বেরিয়ে অ্যান্ড্রয়েড ফোন বাজারে আনায় গ্রাহকদের মাঝে চাহিদা বৃদ্ধির পরিপ্রেক্ষিতে দীর্ঘ প্রায় চার বছর পর আবারও বাংলাদেশের বাজারে এলো প্রতিষ্ঠানটি। তবে এবার শুধুই এর একটি স্মার্টফোনই পাওয়া যাবে বাজারে। কীওয়ান মডেলের এই স্মার্টফোনটি ২০১৭ সালের শুরুর দিকে বাজারে এনেছিল ব্ল্যাকবেরি। সম্প্রতি আনুষ্ঠানিকভাবে স্মার্টফোনটি বাংলাদেশের বাজারে ছাড়ার ঘোষণা দেয় এ অঞ্চলে ব্ল্যাকবেরি মোবাইলের বাজারজাতকরণের দায়িত্ব পাওয়া প্রতিষ্ঠান অপটিমাস ইনফোকম।
অ্যান্ড্রয়েড ৭.১.১ ন্যুগাট অপারেটিং সিস্টেম চালিত স্মার্টফোনটিতে থাকছে ৪.৫ ইঞ্চি ফুল এইচডি ডিসপ্লে যার সুরক্ষায় আছে গরিলা গ্লাস ৪। এতে ব্যবহার করা হয়েছে স্ন্যাপড্রাগন কোয়ালকম ৬২৫ চিপসেট। থাকছে ৪ গিগাবাইট র্যাম এবং ৬৪ গিগাবাইট বিল্টইন স্টোরেজ ক্যাপাসিটি যা বাড়িয়ে নেওয়া যাবে ২৫৬ গিগাবাইট পর্যন্ত মেমোরি কার্ড ব্যবহারের মাধ্যমে।

৮ মেগাপিক্সেল ফ্রন্ট ক্যামেরা এবং ১২ মেগাপিক্সেল রিয়ার ক্যামেরা থাকছে এতে। রয়েছে ৩৫০৫ মিলিঅ্যাম্পিয়ার ব্যাটারি। দ্রুত চার্জ দেওয়ার জন্য আছে কোয়ালকমের কুইকচার্জ প্রযুক্তি।
বাংলাদেশের বাজারে স্মার্টফোনটি পাওয়া যাবে ৫৩ হাজার ৯৯০ টাকায়। ২২ জানুয়ারি থেকে গ্রাহকরা ফোনটি কিনতে পারবেন।








