‘ডেসপাসিতো’ স্প্যানিশ এই গানটি এখন মোটামুটি সবার কাছেই পরিচিত। এই একটি গানের কারণেই সম্প্রতি পুয়ের্তো রিকোতে ট্যুরিজম বেড়েছে ৪৫ শতাংশ। আর সেটা দেউলিয়া ঘোষিত হওয়া দেশটির জন্য যে কতটা ভালো হয়েছে তা বলাই বাহুল্য।
মানুষ যা করে তার উপর একটি দেশের সংস্কৃতির খুব ভালো প্রভাব থাকে। মানুষ সবসময় দেখে সেলিব্রেটিরা কিভাবে পোশাক পরে, কিভাবে চুল কাটায় বা ছুটিতে কোথায় যায়। সেটারই প্রভাব সরাসরি দেখলো পুয়ের্তো রিকো।
গানটি দেখে ভ্রমণকারীদের এই প্রবাহ পুয়ের্তো রিকোর অর্থনীতির জন্য ভালো হয়েছে, কারণ মে মাসে ৫৪ বিলিয়ন পাউন্ড ঋণের কারণে দেউলিয়া ঘোষণা করা হয়েছিল দেশটিকে। সেই অবস্থা কাটাতে বেশ কাজ এসেছে এপ্রিলে প্রকাশিত গানটি।
পুয়ের্তো রিকোর হোটেলের পরিচালিত এক গবেষণা থেকে জানা যায়, এপ্রিল ১৭ তে এই দেসপাসিতো গানটি প্রকাশের পর থেকেই এই ক্যারিবিয়ান আইল্যান্ডে ভ্রমণকারী বেড়েছে ৪৫ শতাংশ।
লুইস ফনসি এবং ড্যাডি ইয়ানকির এই গানটির একটি লাইন, ‘তারা পুয়ের্তো রিকোতে কিভাবে এটা করলো’ আর সেটাই ঘটিয়েছে যতসব কাণ্ড।
ইএমইএ হোটেল ডটকম ব্র্যান্ডের ভাইস প্রেসিডেন্ট ইসাবেল্লে পিনসন বলেন, অনেক দিন যাবত পুয়ের্তো রিকো ছিলো মানুষের ছুটির গন্তব্য। কিন্তু তারপরও অনেক ভ্রমণকারীই এই এলাকার নাম জানতো না। আমরা মনে করি, স্থানীয় সংস্কৃতি মানুষের ভ্রমণের স্থান নির্ধারণে অনেক সহায়তা করে।
“আর সেটাই করেছেন লুইস ফনসি এবং ড্যাড্ডি ইয়ানকি। তারা তাদের গানে তুলে ধরেছেন পুয়ের্তো রিকোর সৌন্দর্য। যেটা বিশ্ববাসীকে দিচ্ছে নতুন গন্তব্যস্থান।”
এরই মধ্যে এই গানের ভিডিওটি ইউটিউবে দেখা হয়েছে ২ বিলিয়ন বার। আর সেই গানের মাধ্যমেই পুয়ের্তো রিকোকে দেখেছে এত এত মানুষ। এই বছরে টুরিজম থেকে দেশটি আয় করেছে বেশ বড় পরিমাণ টাকা। ফলে এরপর থেকে মিউজিক ভিডিওতে নিজেদের দেশের সংস্কৃতিই তুলে ধরতে চাইছেন ট্যুর কোম্পানিগুলো। তাতে যদি ট্যুরিজম আরো বাড়ে।
ট্যুরিজম বাড়ানো সেই গানটি:








