একইদিন জিম্বাবুয়ের প্রেসিডেন্ট এবং ইথিওপিয়ার প্রধানমন্ত্রীর সমাবেশে আলাদা বোমা হামলার ঘটনা ঘটেছে। তবে তারা দু’জনেই অক্ষত আছেন। ঠিক কয়েক ইঞ্চির জন্য বেঁচে গেছেন জিম্বাবুয়ের রাষ্ট্রপ্রধান।
শনিবার ইথিওপিয়ার রাজধানী আদ্দিস আবাবায় এক সমাবেশে দেশটির নতুন প্রধানমন্ত্রী আবি আহমেদের ভাষণ শেষ হওয়ার পরপরই তাকে লক্ষ্য করে গ্রেনেড হামলার ঘটনাটি ঘটে। ভিড়ের মাঝেই গ্রেনেড বিস্ফোরণটি হয়।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, গ্রেনেড বিস্ফোরণের আগে হামলাকারীর সঙ্গে পুলিশের ধস্তাধস্তি হয়েছিল।
এখন পর্যন্ত ইথিওপিয়ায় এ ঘটনায় একজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। আর আহত ১৫৬ জন। তাদের মধ্যে ৮ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে এক টুইটবার্তায় জানিয়েছেন দেশটির স্বাস্থ্যমন্ত্রী ড. আমির আমান।
Update as of 9:00pm:
Total casualties: 156
Currently admitted: 50
Admitted, treated & sent home: 5
In critical condition: 8
Death: 1— Amir Aman, MD (@amirabiy) June 23, 2018
নিরাপত্তায় ফাঁক থাকার দায়ে আদ্দিস আবাবার উপ-পুলিশ প্রধান এবং আরও ৮ পুলিশ সদস্যকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী আবি বলেছেন, যারা ঐক্যবদ্ধ ইথিওপিয়া দেখতে চায় না তারাই এই ব্যর্থ চেষ্টাটি করেছে।

এর কয়েক ঘণ্টা পরই আফ্রিকার আরেক দেশ জিম্বাবুয়ের বুলাওয়েতে দেশটির প্রেসিডেন্ট এমারসন নাঙ্গাগওয়ার সমাবেশে বোমা হামলার ঘটনা ঘটে।
আসন্ন নির্বাচন উপলক্ষে প্রচারণার উদ্দেশ্যে দেশটির হোয়াইট সিটি স্টেডিয়ামে এক সমাবেশে শনিবার ভাষণ দিতে গিয়েছিলেন প্রেসিডেন্ট। ভাষণ শেষে মঞ্চ থেকে নামার সময়ই হামলার ঘটনা ঘটে। ভিডিও ফুটেজে দেখা গেছে, নাঙ্গাগওয়ার খুব কাছেই হঠাৎ বোমা বিস্ফোরিত হয়ে চারদিক কালো ধোঁয়ায় ভরে যায়।

হামলা শেষে এক বিবৃতিতে নাঙ্গাগওয়া বলেন, মঞ্চ থেকে নামতেই তিনি দেখতে পান তার কয়েক ইঞ্চি দূরেই কিছু একটা বিস্ফোরিত হলো। ‘কিন্তু আমার সময় এখনো আসেনি।’
হামলায় সরকারি কিছু কর্মকর্তাসহ ১৫ জন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। এদের মধ্যে ৩ জনের অবস্থা গুরুতর বলে জানিয়েছেন ইথিওপিয়ার স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডেভিড পারিরেনিয়াতওয়া। তবে আহতের সংখ্যা বাস্তবে আরও অনেক বেশি বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
নিরাপত্তা ঝুঁকি তাকা স্বত্ত্বেও আহতদের দেখতে হাসপাতালে গিয়েছিলেন জিম্বাবুয়ের প্রেসিডেন্ট। এই ‘অর্থহীন’ সহিংসতার প্রতি নিন্দা জানিয়ে একতার আহ্বান জানান তিনি।







