এক মৌসুম পর আবারও ঢাকা প্রিমিয়ার লিগের শিরোপা জয়ের অপেক্ষায় আবাহনী লিমিটেড। সোমবার মিরপুরে খেলাঘর সমাজ কল্যাণ সমিতিকে ১২৭ রানের বড় ব্যবধানে হারিয়ে চ্যাম্পিয়নশিপ প্রায় নিশ্চিত করে ফেলেছে নাসির-মাশরাফীরা।
বৃহস্পতিবার বিকেএসপিতে আবাহনী ও লিজেন্ডস অব রূপগঞ্জের মধ্যকার ম্যাচ কেবলই আনুষ্ঠানিকতার। হারলেও রানরেটে এগিয়ে থাকায় আবাহনীর ঘরেই যাওয়ার অপেক্ষায় লিগ শিরোপা।
১৫ ম্যাচে আবাহনীর পয়েন্ট ২২। সমান ম্যাচে রূপগঞ্জের ২০। প্রিমিয়ার লিগের নিয়ম অনুযায়ী পয়েন্ট সমান হলে দেখা হয় হেড-টু-হেড। তারপর রানরেট।
রূপগঞ্জ জিতলে সমান হবে দু’দলের পয়েন্ট। হেড-টু-হেডও সমান হবে। সুপার লিগের আগের দেখায় আবাহনী হারিয়েছিল রূপগঞ্জকে। রানরেটে অনেক বড় ব্যবধানে এগিয়ে থাকায় নাসির-মাশরাফীদের সামনে কেবল উৎসবে মাতার অপেক্ষা।
সোমবার শের-ই-বাংলা স্টেডিয়ামে আবাহনীর ছুঁড়ে দেয়া ২৪১ রানের টার্গেটে ব্যাটিংয়ে নেমে ২৭.৩ ওভারে ১১৪ রানেই গুটিয়ে যায় খেলাঘর।
মাহিদুল ইসলাম অঙ্কন ২৭, আনজুম আহমেদ ২৪, মাসুম খান ২৩, রবিউল ইসলাম রবি করেন ২০ রান। দলের অন্য কোনো ব্যাটসম্যান দুই অঙ্ক স্পর্শ করতে পারেননি।
৮ ওভারে ৩২ রান দিয়ে মাশরাফী বিন মোর্ত্তজা নেন ৩টি উইকেট। ২টি করে উইকেট নিয়েছেন তাসকিন আহমেদ, নাসির হোসেন ও সন্দীপ রায়। মেহেদী হাসান মিরাজ নিয়েছেন একটি উইকেট।
সকালে টস হেরে ব্যাটিয়ে নেমে দুর্দান্ত শুরুর পরও বড় সংগ্রহ গড়তে পারেনি তারকাসমৃদ্ধ আবাহনী। ৪৬.৩ ওভারে অলআউট হওয়ার আগে তোলে ২৪১ রান।
ওপেনিংয়ে নামা নাজমুল হোসেন শান্ত ৫৪, আট নম্বরে নেমে মেহেদী হাসান মিরাজ ৫০ রান করেন। এনামুল হক বিজয় ২৭, তাসকিন আহমেদ ২৬, সানজামুল ইসলামের ব্যাটে আসে ২৩ রান।
খেলাঘরের পেসার আব্দুল হালিম ৫ ওভারে মাত্র ১০ রান দিয়ে নেন ৪ উইকেট। পরে আর তাকে বোলিংয়ে আনা হয়নি। পেস বোলিংয়ের সামনে যখন আবাহনী ব্যাটসম্যানরা ধুঁকছে তখন তাকে বোলিং থেকে সরিয়ে দেয়ার সিদ্ধান্ত অবাক করার মতো।
অধিনায়ক নাজিমউদ্দিন দুই পাশ থেকে স্পিন আক্রমণ চালিয়ে যাওয়ার ফায়দা নিয়ে আড়াইশ’র কাছাকাছি সংগ্রহ গড়ে ফেলে আবাহনী ব্যাটসম্যানরা।







