জিম্বাবুয়ের উপর রানের পাহাড় চাপাতে ফলো-অন না করিয়ে দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাটিংয়ে নেমেছে বাংলাদেশ। প্রথম ইনিংসে ২১৮ রানে এগিয়ে থাকা টাইগারদের সূচনা করেন লিটন দাস ও ইমরুল কায়েস। কিন্তু সফরকারীদের বিপদে ফেলতে গিয়ে উল্টো বিপদে পড়েছে স্বাগতিকরাই। ১০ রানে ৩ উইকেট হারানোর পর ২৬ রানে চতুর্থ উইকেট হারিয়ে কাঁপছে বাংলাদেশ।
চাইলে বাংলাদেশ আবার জিম্বাবুয়েকে ব্যাটিংয়ে পাঠাতে পারত। তবে মিরপুরের উইকেটে চতুর্থ ইনিংসে ব্যাটিং করার ঝুঁকি নেয়নি স্বাগতিকরা। বাংলাদেশের করা ৫২২ রানের জবাবে জিম্বাবুয়ের ইনিংস থামে ৩০৪ রানে।
৪ উইকেটে ৭৮ রান নিয়ে লাঞ্চে গেছে বাংলাদেশ। মোহাম্মদ মিঠুন ৩৪ ও মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ ২৪ রানে অপরাজিত রয়েছেন। বাংলাদেশের লিড দাঁড়িয়েছে ২৯৬ রানে।
ব্যাট করতে নেমে শুরুটা অবশ্য ভালো হয়নি বাংলাদেশের। স্কোর বোর্ডে ১০ রান উঠতেই ২ উইকেট হারিয়েছে তারা। বাংলাদেশ ইনিংসে জোড়া আঘাত হানেন সফরকারী পেসার জার্ভিস। দলীয় ৯ রানের সময় ১২ বল মোকাবেলা করে ৩ রান করা ইমরুল কায়েস ক্যাচ দেন মাভুতার হাতে। পঞ্চম ওভারের প্রথম বলে ইমরুল ফেরার এক বল পর সাজঘরে ফেরেন লিটন দাসও। জার্ভিসের বলেই পরিস্কার বোল্ড হন ৬ রান করা লিটন।
দলীয় স্কোর ১০ রানে আরও একটি উইকেট হারায় বাংলাদেশ। এবার আরও বড় আঘাত। মাত্র রান করে আউট হয়ে যান প্রথম ইনিংসে ১৬১ রান করা মুমিনুল হক। ত্রিপিনোর বলে চাকাভার হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন মুমিনুল।
মিঠুনকে সঙ্গে নিয়ে ইনিংস জোড়া দেয়ার আভাস দিয়েছিলেন মুশফিক। কিন্তু তিনিও ফিরে যান। ত্রিপিনোর হাফপুল করতে গিয়ে মাভুতার হাতে ক্যাচ দেন প্রথম ইনিংসের ডাবল সেঞ্চুরিয়ান। ১৯ বল খেলে করেন ৭ রান।
মঙ্গলবার ম্যাচের তৃতীয় দিনে দুই সেশনে দুটি করে চার উইকেট তুলে নেয় বাংলাদেশ। সেই স্বস্তি মিলিয়ে যেতে শুরু করে ব্রেন্ডন টেলর ও পিটার মুরের প্রতিরোধে। তৃতীয় সেশনে উইকেটের দেখা পেতে অপেক্ষা দীর্ঘ হয়। পড়ন্ত বিকেলে দ্রুত চার উইকেট তুলে বোলাররা এনে দেন স্বস্তি।
সফরকারীদের প্রত্যাশিত ফলো-অনে ফেলা গেলেও বড় লক্ষ্য দাঁড় করিয়েও ম্যাচ জিতে সিরিজ ড্র করতে চায় বাংলাদেশ।









