আগামী অর্থবছরের জন্য বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি বা এডিপি চূড়ান্ত হয়েছে ১
লাখ ১৮ হাজার ৮’শ ৪৫ কোটি টাকা। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে
জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির সভায় আজ বৃহস্পতিবার এই উন্নয়ন
ব্যয় অনুমোদন হওয়ার কথা।
পরিকল্পনা মন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল জানিয়েছেন, পদ্মা সেতুর কথা
মাথায় রেখে সর্বোচ্চ বরাদ্দ দেয়া হয়েছে পরিবহন ও যোগাযোগ খাতে, সাড়ে ২৮
হাজার কোটি টাকা।
আগামী ২রা জুন বৃহস্পতিবার সংসদে ২০১৬-১৭ অর্থবছরের বাজেট পেশের কথা অর্থমন্ত্রীর। ৩ লাখ ৪১ হাজার ৯’শ ১০ কোটি টাকার বাজেটে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি এডিপি’র অংশ ১ লাখ ১৮ হাজার ৮’শ ৪৫ কোটি টাকা।
অবশ্য স্বায়ত্তশাসিত সংস্থা এবং কর্পোরেশনের ৯ হাজার ৬’শ ৪৫ কোটি বাদ দিলে এডিপি’র আকার হবে ১ লাখ ৯ হাজার ২’শ কোটি টাকা। এডিপিতে প্রকল্প সাহায্য বাবদ ধরা হয়েছে ৪০ হাজার কোটি, আর স্থানীয় মুদ্রায় ৭৮ হাজার ৮’শ ৪৫ কোটি টাকা।
পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, এ বছরের বাজেটে বাস্তবিকপক্ষে যেটা অর্জন করতে পারবো সেটাই রাখবো। অনেক বড় বাজেটে না গিয়ে যেটা বাস্তবায়ন সম্ভব সেটাই রাখছি।
খাত ভিত্তিক বরাদ্দ বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে সবচে বেশি বরাদ্দ দেয়া হয়েছে পরিবহন ও যোগাযোগ খাতে, ২৮ হাজার ৫’শ ২ কোটি টাকা। এরপর রয়েছে শিক্ষা ও ধর্ম, বরাদ্দের পরিমাণ ১৪ হাজার ৪’শ ৫৭ কোটি।
বরাদ্দেরক্রমে এর পর অবস্থান ভৌত পরিকল্পনা, পানি সরবরাহ ও গৃহায়ন খাত; বিদ্যুৎ খাতে চতুর্থ সর্বোচ্চ ১২ হাজার ৫’শ ৬৪ কোটি টাকা; পল্লী উন্নয়ন ও পল্লী প্রতিষ্ঠানে বরাদ্দ ৮ হাজার ৯’শ ৮৭ কোটি; স্বাস্থ্য খাতে ৬ হাজার ৯’শ ৭৯ কোটি এবং কৃষিতে বরাদ্দ দেয়া হয়েছে প্রায় ৫ হাজার কোটি টাকা।
মুস্তফা কামাল বলেন, এডিপির আকার প্রতি বছরই বাড়ছে। এ বছরও আকার বাড়বে। কিন্তু এর আকার যেভাবে বাড়ছে সেভাবে কিন্তু বাস্তবায়নের হার বাড়ছে না।
২০১৬-১৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত এডিপিতে মোট প্রকল্পের সংখ্যা ১১’শ ৪১টি। এর মধ্যে নতুন প্রকল্প অবশ্য মাত্র ৭৫টি। বাকি ১ হাজার ৬৬টি প্রকল্প চলতি অর্থবছরের।








